অন্যান্য কলকাতা 

পাঁচ মাসের মধ্যে মমতা সরকারের পতন হতে পারে! বাস্তব কী বলছে?

বুলবুল চৌধুরী: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর গতকাল শনিবার বলেছেন পাঁচ মাসের মধ্যে তৃণমূল সরকারের পতন হবে। রীতিমত হুংকার দিয়ে তিনি এই কথাটি বলেছেন। শান্তনু ঠাকুর বা সুব্রত ঠাকুরের এই ধরনের হুঁশিয়ারিকে অবশ্য পাত্তা দিতে চান না তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তবে এই ধরনের কথা কোন যুক্তিতে বলছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী! একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যখন এই ধরনের কথা বলেন, তখন সেই কথাকে একেবারে ফাঁকা আওয়াজ বলে উড়িয়ে দেওয়া হলে তৃণমূল কংগ্রেসের ক্ষতি হতে পারে। কারণ শান্তনু ঠাকুরের পর আজ রবিবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও একই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। শুভেন্দু অধিকারী কিম্বা…

আরও পড়ুন
অন্যান্য কলকাতা 

ঘৃণ্য পরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র থেকে দলিত মুসলিম সমাজকে রক্ষা করার দায় নাগরিক সমাজকে নিতে হবে

সেখ ইবাদুল ইসলাম: কাজী নজরুল ইসলাম খুব দুঃখ করে লিখেছিলেন পূজারী কাহারে দাও অঞ্জলি? /মুক্ত ভারতে ভারতী কই ?/আইন যেখানে ন্যায়ের শাসন/ সত্য বলে বন্দী হই! স্বাধীনতার ৭৭ বছর পর বিদ্রোহী কবির এই বার্তা আজ মর্মে মর্মে সত্যে প্রমাণিত হচ্ছে। গত ৮ই জুন পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার দিন থেকে আজ পর্যন্ত নয়,নয় করে ৫০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কেন মৃত্যু? জনসেবা করার জন্য লড়াই করছে আমাদের রাজ্যের রাজনীতিবিদরা! জনসেবা মানে জনগণের সেবা করা। নিঃসন্দেহে একটি পবিত্র কাজ! অবহেলিত বঞ্চিত মানুষকে ইনসাফ পাইয়ে দেওয়া এবং তাদের স্বার্থে কিছু করা নিঃসন্দেহে…

আরও পড়ুন
অন্যান্য কলকাতা 

নওশাদ ইস্যুতে এই রাজ্যের বাঙালি মুসলমান সমাজের কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিশ্বাস যোগ্যতা হারাচ্ছেন! নেপথ্যে বিজেপি ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতারা?

বুলবুল চৌধুরী : পশ্চিমবাংলার বাঙালি মুসলমান সমাজে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাবমূর্তিকে কলুষিত করার জন্য তৃণমূল কংগ্রেসের বিজেপি ঘনিষ্ঠ নেতারা সক্রিয় হয়ে উঠেছেন এ নিয়ে কোন সন্দেহ। ফুরফুরা শরীফের পীরজাদা নওশাদ সিদ্দিকী একজন বিধায়ক হিসাবে ধর্মনিরপেক্ষ দলের জনপ্রতিনিধি হিসাবে এই রাজ্যের সাধারণ মানুষের নজর কেড়ে নিয়েছেন। আমাদের এই বক্তব্যের নেপথ্যে অনেকেই হয়তো বলবেন যে আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাঙালি মুসলমান সম্প্রদায়ের কাছে ভিলেন করার চেষ্টা করছি। কিন্তু বিষয়টি হলো তৃণমূল কংগ্রেস দলের মধ্য থেকেই চেষ্টা হচ্ছে এই রাজ্যের মুসলমান সমাজের কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যে বিশ্বাসযোগ্যতা আছে সেই বিশ্বাসযোগ্যতাকে নষ্ট করে দেওয়ার। কয়েক…

আরও পড়ুন
অন্যান্য কলকাতা 

Nawshad Siddiqui: আয়ারাম গয়ারাম রাজনীতির যুগে বাংলায় উজ্জ্বল নক্ষত্র পীরজাদা নওশাদ সিদ্দিকী!

সেখ ইবাদুল ইসলাম: পশ্চিমবাংলার রাজনীতিতে দল পরিবর্তন করা একটা সময় অপরাধ হিসাবে বিবেচিত হত। সিদ্ধার্থ শংকর রায় থেকে শুরু করে অজয় মুখোপাধ্যায়, সৈয়দ বদরুদ্দোজা, এবিএ গনি খান চৌধুরী এরা সবাই মূল্যবোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস করতেন। বিধান রায়ের সঙ্গে মনোমালিন্য হওয়ার কারণে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছিলেন সিদ্ধার্থ শংকর রায় একই সঙ্গে বিধায়ক পদে ইস্তফা দিয়েছিলেন। পরে ওই ব্যক্তি একই কেন্দ্র থেকে নির্দল প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটের ব্যবধানে কংগ্রেস প্রার্থীকে পরাজিত করে বিধানসভায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। কোন সময় মূল্যবোধের রাজনীতিকে বিসর্জন দেননি এইসব মহান মানুষের া এটাই বাঙালির ঐতিহ্য। এটাই বাংলার গণতন্ত্র। এবিএ গণি…

আরও পড়ুন
অন্যান্য কলকাতা 

বাইরণের তৃণমূলে যোগ বাম কংগ্রেসের সাগরদিঘী মডেল কী ব্যর্থ ? নাকি নেপথ্যে অন্য রহস্য!

বাংলার জনরব ডেস্ক: বাম কংগ্রেসের সাগরদিঘী মডেল ফেল করেছে বলে ইতিমধ্যে রাজনৈতিক মহল বলতে শুরু করেছে। কারণ কংগ্রেসের একমাত্র বিধায়ক বাইরণ বিশ্বাস,আজ তৃণমূল কংগ্রেসের যোগ দিয়েছেন। ফলের স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠেছে তাহলে কি বাম কংগ্রেসের সাগরদিঘী মডেল ফেল করল! কিছু গদি মিডিয়া এ কথাগুলো বললেও আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে ভুল রাজনীতি যে করে চলেছেন তা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। প্রথমত বাইরন বিশ্বাসকে দলে নেওয়ার ফলে তৃণমূল কংগ্রেস যে মানুষের জনাদেশে বিশ্বাস করে না। তা আরেকবার প্রমাণিত হয়ে হল। এ থেকে আরেকটা জিনিস স্পষ্ট হয়েছে যে তৃণমূল কংগ্রেস আসলে বিজেপির বি টিম…

আরও পড়ুন
অন্যান্য দেশ 

কিসসা কন্নড় কুরসি কা হাই ভোল্টেজ হাত, লো ভোল্টেজ পদ্ম

মুদাসসির নিয়াজ : এবার কর্ণাটক ছিল হাইভোল্টেজ। দাক্ষিণাত্যে একমাত্র এই রাজ্যেই ছিল বিজেপির ডাবল ইঞ্জিন সরকার। ফল প্রকাশের পর দেখা গেল ডাবল নয়; ট্রাবল ইঞ্জিন সরকার ছিল ওখানে। অনেক আগে থেকেই বোঝা যাচ্ছিল, এবার বিজেপিকে খালি হাতে ফেরাবে কর্ণাটক। কারণ, গতবার জেডি (এস) ও কংগ্রেস জোট সরকারকে যেভাবে ভেঙে ফেলা হয়েছিল, তা কন্নড়রা ভুলে যায়নি। এক পৌষে শীত পালায় না। এবার মোক্ষম জবাব দিল তারা। সুদে আসলে মাশুল গুণতে হল গেরুয়া শিবিরকে। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে জোট সরকার ভাঙিয়ে যে ১৪জন বিধায়ককে পকেটে পুরেছিল বিজেপি, এবার সেইসব দলবদলুরা সব গোহারা হয়েছে।…

আরও পড়ুন
অন্যান্য কলকাতা 

ফিরহাদ হাকিমের অপমান পক্ষান্তরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরই অপমান নয় কী ?/ সেখ ইবাদুল ইসলাম

সেখ ইবাদুল ইসলাম : ফিরহাদ হাকিম একজন সাধারণ মানের রাজনীতিবিদ । সুব্রত মুখোপাধ্যায় কিংবা সোমেন মিত্রের এক সময়কার ভাবশিষ্য ছিলেন ফিরহাদ হাকিম । অল্প বয়সেই বাবাকে হারিয়ে ছিলেন । মা মনিকা হাকিম এবং জেঠু বিশিষ্ট চিকিৎসক রহমান সাহেবের পরিচর্যায় নিজেকে সমাজে প্রতিষ্ঠা করেছেন । নিজে ধর্ম সেভাবে মানেন বলে মনে হয় না । তবে বিয়ে করেছেন ধর্মপ্রাণ মুসলিম পরিবারে । স্ত্রী ইসমাত পরহেজগার না হলেও ধর্ম মানেন এটা স্বীকার করতেই হবে । তা সত্ত্বে ফিরহাদ হাকিম কিংবা ববির ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শ নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারবেন না । সুব্রত মুখার্জি কিংবা…

আরও পড়ুন
অন্যান্য 

আজ ঐতিহাসিক বদর দিবস : আস্থাশীল হই আমরা আপন প্রভুর ওপর। বদরের এই সুমহান শিক্ষা হোক ১৭ রমাজানের শপথ

নায়ীমুল হক  : জন্মভূমি মক্কা থেকে হযরত মুহাম্মদ(সা) বিতাড়িত হয়েছিলেন যখন, তখন থেকে শুরু হয় হিজরি সাল গণনা। সেই দ্বিতীয় হিজরির ১৭ রমাজান মদিনা থেকে ৮০ মাইল দূরে ঐতিহাসিক বদর নামক স্থানে সংঘটিত হয় এক সম্মুখ ‍যুদ্ধ। এ যুদ্ধ সম্পূর্ণরূপে ছিল এক অসম যুদ্ধ। হযরত মুহাম্মদ (সা) এর জীবনকালে প্রথম যুদ্ধ। কুরাইশদের আক্রমণ ঠেকাতে যেয়েই এই যুদ্ধের সূত্রপাত। এটি ইসলামের ইতিহাসের প্রথম সশস্ত্র যুদ্ধ। বদরের যুদ্ধ ছিল ঈমানদারদের জন্য অগ্নি পরীক্ষা। কারণ, সদ্য ছেড়ে আসা তাদের আপন রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়-স্বজনের বিরুদ্ধে ছিল এ যুদ্ধ। ঈমানের পরীক্ষায় তারা জয় লাভ করেছিল।…

আরও পড়ুন
অন্যান্য 

আগামীকাল ১৭ রমাজান : বদর দিবস স্মরণে / নাফিসা ইসমাত

– বিশেষ প্রতিনিধি: বদরের প্রান্তরে রমজান মাসে হয়েছিল এই যুদ্ধ। তারিখ ছিল ১৭ই রমাজান। নানান সংকটের মাঝেও নবী মোহাম্মদ (সা) ছিলেন অটল…… । দুই বালক এর ঘটনা – এই যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য মোআয ও মায নামে দু’জন বালক আগ্রহ প্রকাশ করলে নবী করিম [ﷺ] তাদের সান্ত্বনা দিয়ে পরবর্তী কোনো এক যুদ্ধে তাদের নেয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু তারা পুনরায় নবীজির কাছে দরখাস্ত করে। বলে, তারা কিন্তু আর ছোট নেই। তাদের একজন পায়ের আঙ্গুলের উপর ভর করে লম্বা হয়ে দাঁড়ালো। নবী করিম [ﷺ] তার আগ্রহ দেখে অভীভূত হয়ে তাকে সৈন্যদলে…

আরও পড়ুন
অন্যান্য দেশ 

Rahul Gandhi : সংসদে রাহুল নেই! লড়াই এবার সংসদের চার দেওয়ালের মধ্যে নয়, জনতা বনাম বিজেপি! জিতবে কে?

সেখ ইবাদুল ইসলাম : রাহুল গান্ধীর সাংসদ পদ যে কায়দায় কাড়া হয়েছে তা নিয়ে ইতিমধ্যে দেশে বিদেশে শোরগোল পড়েছে । কংগ্রেস আমলে তৈরি করা জনপ্রতিনিধিত্ব আইনকে কাজে লাগিয়ে রাহুলের সাংসদ পদ খারিজ করে দেওয়ার পরের পরিস্থিতি যে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে তা হয়তো কল্পনাও করতে পারেননি নরেন্দ্র মোদী । সম্প্রতি রাহুল গান্ধী লন্ডন গিয়েছিলেন সেখানে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ভারতের বর্তমান গণতন্ত্র পরিস্থিতি নিয়ে ভাষণ দিয়েছিলেন । বলেছিলেন সংসদে কোনো গুরুত্বপূর্ণ কথা বলার সময় মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয় । এমনকি বক্তব্যকে কাটঁছাঁট করে সংসদের কার্যবিবরণীতে রাখা হয়…

আরও পড়ুন