আন্তর্জাতিক 

শান্তির চিঠি, যুদ্ধের প্রস্তুতি: ইরানকে নিয়ে দু’মুখী কৌশল আমেরিকার

শেয়ার করুন

এস রোজলিন : কলকাতা:একদিকে শান্তি আলোচনার প্রস্তাব, অন্যদিকে হামলার প্রস্তুতি। ইরানকে নিয়ে দুই রকম কৌশল নিচ্ছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসেন রেজাইকে নতুন করে শান্তি আলোচনা শুরু করার জন্য চিঠি দিয়েছেন। ওই চিঠিতে কোনও নির্দিষ্ট পূর্বশর্ত দেওয়া হয়নি, বরং শান্তি প্রক্রিয়ার সম্ভাব্য কাঠামোর উপর জোর দেওয়া হয়েছে।তবে একই প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, আগামী ৩ নভেম্বর আমেরিকায় মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানের বিরুদ্ধে ‘স্বল্পমেয়াদি ও তীব্র সামরিক অভিযান’ শুরু করতে পারে পেন্টাগন। এ বিষয়ে প্রস্তুতি নিতে উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি আরব দেশকেও বার্তা দেওয়া হয়েছে। যদিও ট্রাম্প এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি।

গত শনিবার ফ্লোরিডায় মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রচারসভায় ট্রাম্প নিজেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, ইরান আবার ‘মহাকাব্যিক রোষের’ মুখে পড়তে পারে। অর্থাৎ, বড়সড় হামলার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি। এদিকে, তেহরানের তরফে এখনও ভান্সের চিঠি প্রাপ্তির কথা সরকারিভাবে স্বীকার করা হয়নি। উল্টে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব রেজাই বৃহস্পতিবার নতুন করে ওয়াশিংটনকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমের জনমত সমীক্ষা বলছে, ইরানে হামলার জেরে পশ্চিম এশিয়ায় যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে আমেরিকার ভিতরেই সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধিই এর মূল কারণ। সে কারণেই মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে যুদ্ধবিরতির জন্য ওয়াশিংটনের এই সক্রিয়তা বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ