আন্তর্জাতিক 

ফ্রান্সে অশান্তি নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিস্ফোরক মন্তব্য ঘিরে বিশ্বজুড়ে চর্চা! কী বলেছেন ট্রাম্প?

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক : ফ্রান্সে চলমান অশান্তির জন্য ফ্রান্স নিজে দায়ী বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও এই বিক্ষোভের পেছনে রয়েছে শিক্ষার পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং দেশের মধ্যে চলা মূল্য বৃদ্ধির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট মনে করেন এটা অজুহাত মাত্র। মূল কারণ হচ্ছে অনুপ্রবেশ। ফ্রান্স সরকার যেভাবে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে নীরব থাকেন এবং সীমান্ত খুলে দিয়েছেন তার ফলে ই যারা অনুপ্রবেশকারী হিসেবে ঢুকেছেন তারা কেউই ফ্রান্সের উন্নয়ন চাইছে না বরং তারা ফ্রান্সকে ঘৃণা করে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট এর এই বক্তব্য প্রচারের পরেই বিশ্বজুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে। ফ্রান্সের এই বিক্ষোভের পেছনে সত্যিই কি অনুপ্রবেশ ইস্যু রয়েছে।

আমেরিকায় মধ্যবর্তী (মিড-টার্ম) নির্বাচনের জন্য প্রচার চালাচ্ছেন ট্রাম্প। শনিবার গিয়েছিলেন জর্জিয়ায়। সেখান থেকে তিনি বলেন, ‘‘ফ্রান্সে পুলিশ আছে, কিন্তু তারা তাদের কাজ করতে পারে না। তাই এখন ফ্রান্সে আগুন জ্বলছে। যারা ওদের ঘৃণা করে, তাদের জন্যেও ওরা সীমান্ত খুলে দেয়। এই সমস্ত লোকজন (বিক্ষুব্ধেরা) ফ্রান্সকে ঘৃণা করেন। ফ্রান্সের মানুষকে ঘৃণা করেন।’’

দ্বিতীয় বার আমেরিকার কুর্সিতে বসার পর অনুপ্রবেশ এবং অভিবাসন নীতিতে কঠোর হয়েছেন ট্রাম্প। তিন লক্ষেরও বেশি ভিসা বাতিল করেছেন। দাবি, বাইরে থেকে লোকজন এসে স্থায়ী ভাবে আমেরিকায় বাস করায় আমেরিকানদের রুটিরুজিতে টান পড়ছে। ফ্রান্সের সমস্যার নেপথ্যেও একই কারণ রয়েছে বলে মনে করেন তিনি। ফ্রান্সের পরিস্থিতিকে উদাহরণ হিসেবে দেখিয়ে জর্জিয়ার ডেমোক্র্যাট সেনেটর জন ওসোফের বিরুদ্ধেও তোপ দেগেছেন ট্রাম্প। বলেছেন, ‘‘এই ধরনের লোকজনের সঙ্গে কী করা উচিত? এদের কখনও দেশে ঢুকতেই দেওয়া উচিত নয়। আমরা সেটাই করে থাকি। কিন্তু এখানে ওসোফ চান, লক্ষ লক্ষ আমেরিকাবিরোধী তৃতীয় বিশ্বের অভিবাসীকে আশ্রয় দিতে। ওরা আমাদের এই সভ্যতাকে লুট করতেই চায় শুধু। আমরা সেটা হতে দেব না।’’

উল্লেখ্য, ফ্রান্সে অশান্তির সূত্রপাত স্কুল-কলেজের পরিকাঠামো, কর্মচারীর অভাব-সহ একাধিক সমস্যা থেকে। পথে নেমে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন সাধারণ মানুষ। প্রাথমিক ভাবে ছাত্রসমাজ পথে নামলেও ক্রমে তা বৃহত্তর আকার নিয়েছে। অভিযোগ, ফ্রান্সে জীবনযাপনের খরচ ঊর্ধ্বমুখী। দিন দিন জনকল্যাণমূলক পরিষেবাগুলির মান পড়ছে।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ