আন্তর্জাতিক 

লুলার কাছে হারের পরই ‘বন্ধু’ দেশে ‘পালালেন’ বলসোনারো

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক : ব্রাজিলের সাধারণ নির্বাচনে ফ্লাভিও বলসোনারো ৪০ লক্ষ ভোটে হেরেছেন লুলা দা সিলভার কাছে। শীঘ্রই দেশটির প্রেসিডেন্ট পদে বসবেন বামপন্থী নেতা। আর এহেন পরিস্থিতিতে তড়িঘড়ি দেশ ছাড়লেন। যদিও আদালতের নির্দেশে তাঁর বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু সেসবের তোয়াক্কা না করেই আমেরিকায় চলে গিয়েছে লুলা, এক মার্কিন সংবাদমাধ্যমের দাবি তেমনই।

বলে রাখা ভালো, দক্ষিণপন্থী নেতা বলসোনারোর বাবা জাইর বলসোনারো এই মুহূর্তে জেলে। এদিকে ছেলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির গুচ্ছ অভিযোগ রয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট তাঁকে নির্দেশ দিয়েছিল নিজের পাসপোর্ট জমা রাখতে। এদিকে এতদিন তিনি মসনদে ছিলেন বলে তাঁর গ্রেফতারিতে রক্ষাকবচ ছিল সেই পদ। এখন মসনদ খোয়ানোর পরে গ্রেফতারির আশঙ্কাও বেড়েছে। তাই আর ঝুঁকি না নিয়েই ‘বন্ধু’ ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশে পালিয়েছেন তিনি, দাবি মার্কিন সংবাদমাধ্যমের। সিএনএন ও ওয়াশিংটন পোস্টের রিপোর্টে বলা হয়েছে, কোনও অজ্ঞাতপরিচয় সূত্রে জানা গিয়েছে বলসোনারোর আমেরিকায় যাওয়ার কথা। তবে তিনি মার্কিন মুলুকের কোথায় আস্তানা গেড়েছেন তা জানা যায়নি।

ইতিমধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ‘বন্ধু’র হয়ে গলা ফাটাতে শুরু করেছেন। নির্বাচনে কারচুপির গন্ধ পাচ্ছেন তিনি। আসনে ব্রাজিল নির্বাচনে ট্রাম্পের মূল আপত্তি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভোট গ্রহণ ২ ঘণ্টা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে। তিনি বলেন, “যেভাবে গণনা হয়েছে, দেখতে খুব খারাপ লেগেছে। সত্যিই বিষয়টি বড় অদ্ভুত।” অবশ্য ট্রাম্পের এই সন্দেহ ভিত্তিহীন দাবি করছেন বিশেষজ্ঞরা।

অধ্যাপক পেদ্রো বুর্গোসের মতে, ব্রাজিলের নির্বাচনে বাড়তি ২ ঘণ্টায় ৩৫ হাজারেরও কম ভোট পড়েছে। যা মোট ভোটের মাত্র ০.০৩ শতাংশ। তবে ট্রাম্পের মতোই ফ্লাভিও দাবি করেছেন, তাঁদের জোর করে হারানো হয়েছে। লুলার জয় বাতিল করতে আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তিনি। তবে হয়তো সুবিধে হবে না বুঝেই এবার তড়িঘড়ি দেশ ছাড়লেন, এমনটাই মনে করা হচ্ছে।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ