অন্যান্য 

আর-এস্-এস-বিজেপি-এর এই ‘ নতুন ভারতে‘ ‘নতুন স্বাভাবিক‘ পরিবেশে স্বঘোষিত ধর্মরক্ষক, গোরক্ষকরা দেশের সংবিধান প্রদত্ত আইন-কানুনের তোয়াক্কা না করে অসহায় জনতাকে বিশেষ করে মুসলিম,দলিত ও আদিবাসীদের নির্মমভাবে শাসন করে চলেছে । আর তা হচ্ছে বিজেপি-র কর্মকর্তা, মন্ত্রীদের প্রশয়ে ও কল্যাণে : ড. আবদুস সাত্তার

শেয়ার করুন
  • 109
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আমাদের দেশ ভারতবর্ষ স্বাধীনতা লাভের পর ৭২ টি বছর পার করেছে। আজও দেশের সাধারণ মানুষ সেই অর্থে স্বাধীনতা পেয়েছে কী ? ৭২ বছর পর হিসাব মেলাতে গিয়ে প্রাপ্তির চেয়ে অপ্রাপ্তির সংখ্যাটাই বেশি করে চোখে পড়ছে। ৭২ বছর পরও এদেশের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে সামনের সারিতে আনার প্রতিশ্রুতি এখনও দেওয়া হয় দলিতসংখ্যালঘুরা এতদিন ধরে যে অর্জিত স্বাধীনতার সম্পদ ভোগ করে আসছিল তা আগামী দিনে থাকবে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। দেশজুড়ে সংখ্যাগরিষ্ঠের জাতীয়তাবাদ এমন জায়গায় পৌছে গেছে যে আজ দেশের সব রাজনৈতিক দলই মন্দিরমুখী হয়ে পড়েছে স্বাধীনতার ৭২ বছর পর এদেশের দলিতসংখ্যালঘুদের নানা বিষয় নিয়ে বাংলার জনরব নিউজ পোর্টালের মুখোমুখি নব বালিগঞ্জ মহাবিদ্যালয়ের সিনিয়র অধ্যাপক এবং রাজ্যের সংখ্যালঘু উন্নয়ন মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তরের প্রাক্তন মন্ত্রী . আবদুস সাত্তার । আজ পঞ্চদশ ‍কিস্তি ।

প্রশ্ন : কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারের এই সময়কালে সারা দেশ জুড়ে ঘৃণা , ভয় অস্থিরতার এক অসহনীয় পরিবেশের জন্ম হয়েছে । সম্প্রীতি, সৌভ্রাতৃত্ব , অর্থনৈতিক বিষয়গুলি পেছনের সারিতে চলে গেছে । কি বলবেন ?

ড. আবদুস সাত্তার : এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই যে , শ্রী নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের এই সময়কালে আমাদের পরিচিত আধুনিক ভারত নয় ,রাজনৈতিক হিন্দুত্বকে সামনে রেখে ধর্মীয় পুরাতত্ব , গাথার সংমিশ্রণে এক ‘ নতুন ভারত ‘ নির্মাণের প্রচেষ্টা জোর কদমে চলেছে । দেশের সাংবিধানিক পীঠস্থানগুলিও আজ এই মতাদর্শের নির্মমতায় ভীষণভাবে আক্রান্ত ! নতুন রূপে , নতুনভাবে ও নতুন পথে  ‘ স্বাভাবিকতা‘কে সংঞ্জায়িত করে সমগ্র রাষ্ট্রযন্ত্রের সহায়তা ও কল্যাণে মানুষের কাছে হাজির করার মরিয়া প্রচেষ্টা জারি রয়েছে । অবশ্য এক্ষেত্রেও প্রধান  সহায়কের ভুমিকায় হাজির হয়েছে পুঁজি পোষিত  দেশের সংবাদমাধ্যম ।, গণমাধ্যম ও সামাজিক গণমাধ্যমের কুশীলবরা । গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে আজ শুধু মোদী বন্দনা । আর তা হচ্ছে সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদ ও দেশপ্রেম-এর ছদ্মবেশে । পরিশেষে, মানুষ মানুষের হাতেই নাজেহাল হচ্ছে । সংখ্যাগরিষ্ঠ জাতীয়তাবাদের এই নির্মাণ ও সৃষ্টিতে নিরাপত্তার বিষয়টিই বড়ো হয়ে হাজির হয়েছে , উন্নয়ন পেছনের সারিতে চলে গেছে । সম্প্রীতির ফাটল ক্রমশ দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে ।

দুই . আর-এস্-এস-বিজেপি-এর এই ‘ নতুন ভারতে‘ ‘নতুন স্বাভাবিক‘ পরিবেশে স্বঘোষিত ধর্মরক্ষক, গোরক্ষকরা দেশের সংবিধান প্রদত্ত আইন-কানুনের তোয়াক্কা না করে অসহায় জনতাকে বিশেষ করে মুসলিম,দলিত ও আদিবাসীদের নির্মমভাবে শাসন করে চলেছে । আর তা হচ্ছে বিজেপি-র কর্মকর্তা, মন্ত্রীদের প্রশয়ে ও কল্যাণে । এমন কী এই  সমস্ত কুশীলবরা দেশের ক্ষমতাসীন সরকারের মন্ত্রীদের হাতে সংবর্ধিতও হচ্ছে । ঘৃণা, বিদ্বেষকে তারা পূজার অঙ্গে রূপান্তরিত করে দিয়েছে । এই নতুন ভারতের নতুন স্বাভাবিক পরিবেশে পহলূ খান , আরবাজ খানদের যেন ঠাঁই নাই , ঠাঁই নাই । বর্তমানে রামন্দির নির্মাণকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা অযোধ্যার পরিবেশ বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পর বিপর্যয়কর দাঙ্গার পরম্পরার দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করছে ।

তিন , ২০১০-১৮ এই সময়কালে সারা দেশে ‘ মব লিঞ্চিং‘-এর  নামে যতজন মানুষকে সংগঠিতভাবে হত্যা করা হয়েছে তার ৯৭ শতাংশই মুসলিম ।  ৮৮ শতাংশ মুসলিম রয়েছে আহত ও ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকায় । শুধু  তাই নয়, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে ‘ গো মাতাকে রক্ষা করার ছদ্মবেশি, ‘ রাজনৈতিক হিন্দুত্বের‘ স্লোগান ও পরিকল্পনায়  যত দাঙ্গা হয়েছে তার মধ্যে ৮৪ শতাংশ মুসলমান ও ১৬ শতাংশ আদিবাসী নিহত হয়েছে ।

চার . নয়ের দশকের পরবর্তীতে  ধর্মীয় সংখ্যালঘু, দলিত ও আদিবাসীদের  ক্ষেত্রে রাজনীতিতে পরিচিত- সত্তার কথা বহুলভাবে আলোচিত হয়েছে । মোদীত্বে ভরপুর এই নতুন ভারতে সংখ্যাগরিষ্ঠের হৃদয়ে  অস্তিত্বের বিপন্নতার বিষয়টিকে ঘৃণা , ভয়ের  আকারে প্রবেশ করিয়ে দিতে তারা সমর্থ হয়েছে ।পাঁচ শতকব্যাপী মোঘল শাসনকাল ও ১৯০ বছরের ইংরেজ শাসনে যা ক্ষুন্ন হয়নি , তা ‘ হিন্দু হৃদয় সম্রাট ‘, ‘দেশের প্রধান সেবক ‘ , ‘ দেশের চৌকিদারে‘র রাজত্ব কালে সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুদের অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে গেছে ? ‘ সংখ্যাগরিষ্ঠের পরিচিতি বিপন্ন ‘, এই স্লোগানকে ব্যবহার করে দেশের ধর্মীয় , সামাজিক, রাজনৈতিক পরিমন্ডলকে এক ভয়ঙ্কর সর্বনাশী পথে নিয়ে যাওয়া যে সম্ভব, তা ইতোপূর্বে কখনো কল্পনাই করা যেত না । এখানেই নিহিত রয়েছে নতুন ভারতের নতুন স্বাভাবিক পরিবেশ নির্মাণের বীজ ।

পাঁচ . স্বাধীনতার এই ৭২ বছরে সমাজের নিম্নস্তর থেকে কখনোই দেশ ‘ পূর্ণরূপে  নৈতিকতার ‘ পথে পরিচালিত হয়নি । যদি আক্ষরিকভাবে হতো , তাহলে কখনোই বৃহৎ পুঁজির কারবারীদের দ্বারা প্রত্যক্ষভাবে নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যম, সংবাদপত্রে প্রতিনিয়ত সত্যকে মিথ্যায় প্রতিপন্ন করার জন্য দু‘মুখো মিথ্যা কথা বলা , অর্ধসত্য, অসত্য ঘটনা  আলোচনার মুখ্য বিষয়বস্তু রূপে হাজির হতো না । দেশের সাধারন খেটে খাওয়া কৃষক-শ্রমজীবী মানুষকে ভুল বোঝানোর লক্ষ্যে তথ্যের বিপরীতে এমন সব তথ্য , পরিসংখ্যান, অর্ধ সত্য নির্বিচারে জোর গলায় প্রচারের মহোৎসব চলছে । এই নির্মাণে গো-পালন ওদুগ্ধ ব্যবসায়ী রূপান্তরিত হয়ে যায় গোরু পাচারকারী হিসাবে ।

ছয় . শুধু তাই নয়, ভারতীয় রাজনীতির সঙ্গে বুদ্ধিবৃত্তিক মতবাদ কখনোই ওতোপ্রোতভাবে জড়িত ছিল না । কিন্ত আজকের মতো এইভাবে এতো অবমূল্যায়নও কখনো হয়নি । এও আমাদের জানা যে , মধ্যযুগে ইউরোপে নিজেদের ক্ষমতা সুরক্ষিত রাখার স্বার্থে প্রবল প্রতাপান্বিত চার্চ গ্যালিলিও , ব্রূনো সহ আলোকিত মহান মানুষদের বন্দী , হত্যা করেছিল । এই ধারা সব ধরনেরই ধর্মীয় শাসনতন্ত্রে আজো বজায় রয়েছে । এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই যে, স্বাধীনতা-উত্তর ভারতের রাজনৈতিক দলগুলি চিরকালই ধর্ম, বর্ণ, জাতি সম্প্রদায় ও ভাষার ভিন্নতাকে যতটা সম্ভব নিজেদের রাজনৈতিক অনুকূলে  কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে ব্যবহার করেছে । কিন্ত আরএসএস-বিজেপি-এর নেতৃত্বাধীন বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার ‘ হিন্দী ,হিন্দু , হিন্দুত্বে‘র ভিত্তিতে নির্মিত মতাদর্শকে প্রবল উৎসাহে ও গভীর ভাবাবেগের সঙ্গে যুক্ত করে হিন্দুত্বের রাজনীতিকে মানুষের সামনে যেভাবে হাজির করেছে , তা কখনো ভাবা যায়নি । এই মতাদর্শগত রাজনীতির ফলশ্রুতিতে সাধু/ সাধ্বীগণ রাজনৈতিক নেতৃত্বে উত্তীর্ণ হয়েছেন । যোগী-যোগিনীগণ যথাক্রমে মুখ্যমন্ত্রী, মন্ত্রীর আসন অলঙ্কৃত করেছেন ।

সাত . রাজনীতিবিদ-পুলিশ-এর একাংশের কলঙ্কিত যোগসূত্র ভারতের রাজনীতিতে নতুন কোনো ঘটনা নয় কিন্ত ধর্মনিরপেক্ষ বাতাবরণ, গনতান্ত্রিক পরিবেশের নিধনযঞ্জে আজ যেভাবে তার অপব্যবহার হয়ে চলেছে , তারও কোনো নিদর্শন মেলে না । শুধু তাই নয় , দূর্বত্তরা সমাজ-জীবনের দন্ডমুন্ডের কর্তায় , পরিণত হয়ে গেছেন । অবশ্য শুধু পুলিশের একাংশ দূর্বত্তরাই নন, দেশের প্রায় সমস্ত গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানেই কমবেশি আরএসএস-এর  নাগপুরের গবেষণাগারে প্রস্তুতকৃত ‘ মতাদর্শগত লেখন ‘।  অঙ্কীকার করে পরিবর্তনের লীলায় মত্ত হয়ে উঠেছে । স্বভাবতই দেশের শাসনকার্যে রাজনৈতিক  স্তরে দক্ষতা , যোগ্যতা , সর্বোপরি বুদ্ধিবৃত্তির এক ভয়ঙ্কর অবনমন ঘটেছে ।

আট . আমরা প্রায়শই উচ্চারণ করে থাকি ভারত ধর্মনিরপেক্ষ কিন্ত আক্ষরিক অর্থে, এমন কী সাংবিধানিকভাবেও ভারত কি কখনো পূর্ণভাবে ধর্মনিরপেক্ষ ছিল ? সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়ের প্রথা, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির কর্তৃত্ব সব সময়ই নরম এবং কোমলভাবে হলেও স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান নয় কি ? এখন তো আবার রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বে তা নতুনভাবে জীবনী-শক্তি নিয়ে নানা কলেবরে বৃদ্ধি পাচ্ছে । আজকের ভারতে ইতিহাসকে পৌরাণিকীকরণে , রূপান্তরের বিষয়টি যেন মজ্জাগত হয়ে উঠেছে , যা ইতিপূর্বে কখনো হয়েছে বলে মনে হয না । আধিপত্যবাদী বিশ্বাসকে মানুষের মর্মমূলে রোপনের এক কৃত্রিম প্রচেষ্টা চলছে । বলা হচ্ছে , ভারত বিশ্বের  সব ধরনের ভাবনা, ঞ্জান ও দর্শনের প্রাচীন উৎসভূমি কিন্ত অন্যরা তা চুরি করে নিজের বলে দাবি করছে । এই ধরনের অবাস্তব দাবিই হচ্ছে নতুন ভারতের নতুন স্বাভাবিকতা ।

এদেশের মানুষের জীবনকর্মের সঙ্গে জাতপাতের বিষয়টি মজ্জাগত হয়ে রয়েছে । কিন্ত আজকে যেভাবে এই ব্যবস্থাকে প্রকাশ্যে, আবরণহীনভাবে সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক লক্ষ্যে সমর্থন ও ব্যবহার করা হচ্ছে , তা কি কখনো হয়েছে ? নতুন ভারতের নতুন স্বাভাবিক জয়গাথায় জাতপাতের গুণাবলী, জাতপাতের উদগাতাদের প্রশ্বস্তি-গাথা , বর্নপ্রথার অনুশীলন, এমন কী প্রয়োজন হলে রাষ্ট্রযন্ত্রের ক্ষমতার জোরে অন্যদের অনুশীলন করতে বাধ্য করো । ক্ষমতার অধীশ্বরদের প্রশ্ন করা যাবে না । যা বলবেন, সেটাই শুনতে হবে । মানুষের মৌলিক অধিকার হরণ , ভিন্নমত পোষণকারীকে দাবিয়ে রাখা , জিঞ্জাসাবাদের বিষয়টি সেন্সার করা সর্বোপরি রাজনৈতিক হিন্দুত্বের সংস্কৃতি , রীতিনীতি, আচার , আচরণ, প্রথাকে জোর করে চাপিয়ে দেওয়া – এই সমস্তই হচ্ছে নতুন স্বাভাবিকতা। সাম্রাজ্যবাদী শক্তির প্রত্যক্ষ সহায়তায় সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদ, দেশাত্মবোধ সর্বোপরি  উন্নয়নহীন উন্নয়নের ছদ্মবেশ , নামাবলী পরিয়ে শাসককুলের সমস্ত জনবিরোধী নীতিগুলিকে দেশবাসীর সামনে ‘বৈধ ‘ হিসাবে  প্রকাশ করার এক অনন্য সাধারন প্রয়াস চলছে । প্রতিবাদ করলেই ‘ শহুরে নকশাল ‘! শাসকের পুলিশী নজরদারি  তার ক্ষত চিহ্ন আজ সর্বত্র ছড়ানো ।

নয় . লোকসভা ভোট আসন্ন । ২০১৪-এর ‘ আচ্ছে দিন‘-এর প্রতিশ্রুতি সব এখন উধাও । আবার ধর্মীয় বিভাজন , বিভাজনের রাজনীতি । কৃষকের আত্মহত্যা, অসহায় বেকারত্ব ,রাফাল দূনীর্তি, ঋণখেলাপী , সিবিআই , আরবিআই , নোটবন্দি , জিএসটি , তেলের দামবৃদ্ধি , নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের অসম্ভব মূল্যবৃদ্ধি, শিল্পের বেহাল দশা উত্তপ্ত কাশ্মীর এখন রামমন্দির , মূর্তি নির্মাণ-এর প্রতিযোগিতা , গো-সন্ত্রাসের শত সহস্র বুলির বিঞ্জাপনে ঢাকা পড়ে যাচ্ছে । দীর্ঘকাল ধরে চলে আসা শহর , ষ্টেশনের  নাম পাল্টে দেওয়ার যঞ্জ শুরু হয়েছে । মুসলিম নাম ও বিষয়, মুসলিম অনুসঙ্গ আজ রাজনৈতিক হিন্দুত্বের ভোট বৈতরনী পার করার এক অমোঘ হাতিয়ার । সেচ্চারে  ঘোষিত হচ্ছে, যদি কারো মধ্যে সাধ্য থাকে তবে রোধ করে দেখাও । বহু রাজনৈতিক দল জেনে , বুঝেও এই সোচ্চার ঘোষণায় ভীত, সন্ত্রস্ত হয়ে হিন্দুত্বের কানাগলির আবর্তে নিমজ্জিত হয়ে যাচ্ছে । মনে রাখতে হবে , এই পথ সব ধর্মের সমন্বয়ের পথ নয় । আবার, সব ধর্মকে সমান দৃষ্টিতে দেখাও নয় । বুঝতে হবে , ভারত নামক ভাবনার  দলন চলছে । ধর্মনিরপেক্ষ ভাবনারও নিধন শুরু হয়েছে । অতএব এই পথে শান্তি নেই , সম্প্রীতি নেই , উন্নয়ন নেই ; আছে শুধু ঘৃণা, বিদ্বেষজাত ধ্বংসলীলা ! শেষের  সেদিন খুব ভয়ঙ্কর !


শেয়ার করুন
  • 109
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment