বারুইপুরের পর গাইঘাটার encounter কেউ সমর্থন করলেন দিলীপ! কী বললেন মন্ত্রী?
বাংলার জনরব ডেস্ক: বারুইপুরের এনকাউন্টার নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ চাইলেই সব কিছু করতে পারে। এবার গাইঘাটায় স্কুলছাত্রী খুনে অভিযুক্তকে encounter করায় পুলিশের প্রশংসা করে দিলীপ ঘোষ বলেন মানুষের মনে ভরসা ফেরাতে হলে পুলিশকে কিছু ‘অপ্রিয় কাজ’ করতে হবে।
সোমবার গভীর রাতে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয় গাইঘাটায় কিশোরীকে ধর্ষণ-খুনে অভিযুক্ত প্রহ্লাদ দাসের। বারুইপুরের মতো এ ক্ষেত্রেও রাতেই অভিযুক্তকে ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য যাওয়া হয়েছিল। পুলিশ সূত্রে দাবি, ফেরার সময় বন্দুক ছিনিয়ে গুলি চালান অভিযুক্ত। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে মৃত্যু হয় ২৩ বছরের ওই যুবকের।
গাইঘাটায় পুলিশি এনকাউন্টারের প্রসঙ্গে মঙ্গলবার সকালে প্রশ্ন করা হয় রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপকে। উত্তর দিতে গিয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের প্রসঙ্গও টেনে আনেন মন্ত্রী। “এর আগেও ঘটনা হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। খুনি পালাচ্ছিল। এনকাউন্টার হয়েছে। এখানেও (গাইঘাটাতেও) হয়েছে,” বলেন দিলীপ।
এর পরেই মন্ত্রী বুঝিয়ে দেন, কেউ এ ধরনের অপরাধ করলে তাঁকে এমন পরিণতির জন্যই তৈরি থাকতে হবে। দিলীপ বলেন, “বিচারের সামনে সবাইকে আনতে হবে। আইনের উপরে কেউ নেই। কিন্তু কেউ যদি আইনকে অমান্য করে, তার সঙ্গে এ রকমই হবে।” পঞ্চায়েত মন্ত্রীর বক্তব্য, মানুষকে ন্যায়বিচার দেওয়া পুলিশের কাজ। সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, “মানুষ তাদের (পুলিশের) উপর ভরসা রাখতে ভুলে গিয়েছে। ভরসা ফিরিয়ে আনতে হলে পুলিশকে কিছু অপ্রিয় কাজ করতে হবে।”
মন্ত্রীর দাবি, পূর্বতন সরকারের আমলে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছিল। তাই অপরাধীদেরও ভয় কমে গিয়েছে। তাই আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি ঠিক করার পাশাপাশি কিছু দৃষ্টান্তও স্থাপন করা দরকার বলে মনে করেন তিনি। দিলীপের কথায়, “ভয় অত সহজে কেউ পায় না। কারণ, আমাদের বাংলায় বহু বছর কানুনব্যবস্থা নেই। কিন্তু যদি আইনকানুনের রাজত্ব প্রতিষ্ঠা হয়, সবাই ভয় পাবে। সতর্ক হবে। দুটো জিনিসই করতে হবে— লোকে যাতে এ সব না করে সে জন্য সমাজে সুবিচার ও সংস্কার আনতে হবে। পরিবেশ ঠিক করতে হবে। আর কী সাজা হবে, সেটা যেন উদাহরণ হিসেবে থাকে।”

