জেলা 

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়কে নিয়ে কালীঘাটের এক ফ্ল্যাটে তল্লাশি! কী পেল?

শেয়ার করুন

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়কে নিয়ে কালীঘাটের এক ফ্ল্যাটে গেল সিআইডি। আদালতের নির্দেশে বর্তমানে তিনি সিআইডি হেফাজতে রয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে সুমিতকে সঙ্গে নিয়ে কালীঘাটে যান তদন্তকারীরা। অভিষেকের বাড়ির পাশেই রয়েছে এই ফ্ল্যাটটি। কেন তাঁকে ওই ফ্ল্যাটে নিয়ে আসা হয়েছে, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।

শালবনি জমি কেলেঙ্কারি মামলা গ্রেফতার হন সুমিত। সেই মামলার তদন্তসূত্র ধরে মঙ্গলবার বেলা ১টার কিছু পরে কালীঘাটের একটি ফ্ল্যাটে যায় সিআইডি। সূত্রের খবর, ওই ফ্ল্যাটটি সুমিতের। তাঁকে সঙ্গে নিয়েই ওই ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালান গোয়েন্দারা। ঘণ্টা দুয়েক ওই ফ্ল্যাটে ছিল সিআইডি। নতুন কোনও সূত্র পেয়েই এই তল্লাশি অভিযান কি না, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

শালবনির জমি মামলায় সোমবার আরও তিন জনকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। অমিত ঘোষ, নিত্যানন্দ রায়, লক্ষ্মীকান্ত ভুঁইয়াকে শালবনি থানার গাইঘাটা এবং মেটাল গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়। স্থানীয় সূত্রে খবর, এঁদের মধ্যে অমিত মেদিনীপুরের প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরার ‘ঘনিষ্ঠ’ বলে পরিচিত। শেখ ইমরান নামে শালবনির বাসিন্দা জমি কেলেঙ্কারি নিয়ে যে অভিযোগ করেছিলেন, সেই সংক্রান্ত এফআইআরে ৬ নম্বরে রয়েছে অমিতের নাম। অভিযোগ, ৫০ একরের বেশি সরকারি জমির জাল দলিল তৈরি করিয়ে বিক্রি করে দেন সুমিতেরা। ধৃত অমিত সেই চক্রের অন্যতম সদস্য বলে অভিযোগ। সূত্রের খবর, এই চক্রে সুমিতের ঠিক কী ভূমিকা ছিল, তা নিয়ে উল্লেখযোগ্য তথ্য রয়েছে অমিতের কাছে। তবে এই সব অভিযোগ অসত্য বলে দাবি অমিতের। দাবি, এই সব অভিযোগের সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ নেই।

মঙ্গলবার ওই ধৃত তিন জনকে মেদিনীপুর সিজেএম কোর্টে আনা হয়। আট দিন নিজেদের হেফাজতে চেয়ে আবেদন করে সিআই়ডি। তবে বিচারক, চার দিনের সিআইডি হেফাজত মঞ্জুর করেছে। ১৯ সেপ্টেম্বর সুমিতের সঙ্গেই এই তিন জনকে আদালতে হাজির করানো হবে।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ