মালোশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাহুল প্রিয়াঙ্কার প্রাতরাশ বৈঠক
চলতি ব্রিক্স শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে এসেছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনওয়ার ইব্রাহিম। ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর রাজধানী দিল্লিতে হচ্ছে এই সম্মেলন। এরই ফাঁকে রবিবার দিল্লিতে আনওয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে প্রাতরাশ-বৈঠক করলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গাঁধী। এ দিন বৈঠকে ভারত-মালয়েশিয়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেন তাঁরা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়ঙ্কা গাঁধীও।
রাহুলের সঙ্গে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর এই সাক্ষাৎ রাজনৈতিক এবং কূটনৈতিক দিক থেকে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, ঠিক এক দিন আগেই বাণিজ্য, সেমিকনডাক্টর, পরিকাঠামো এবং প্রতিরক্ষা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি নিয়ে ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
উল্লেখ্য, ব্রিক্স গোষ্ঠীর অন্যতম সহযোগী দেশ হল মালয়েশিয়া। পাশাপাশি, আসিয়ান ভুক্ত দেশগুলির মধ্যেও ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী রাষ্ট্র তারা।
শনিবার আনওয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী মোদী সমাজমাধ্যমে লেখেন, “আমরা সামুদ্রিক প্রতিবেশী ও ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং আমাদের এই বন্ধুত্বের মূল চালিকাশক্তি হল দুই দেশের সাধারণ মানুষ। প্রধানমন্ত্রী আনওয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে দেখা করে আমি আনন্দিত।” তিনি আরও জানান, “ভারত-মালয়েশিয়া সম্পর্ক এখন সেমিকনডাক্টর, খনিজ সম্পদ, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, পরিকাঠামো এবং মেধা বিনিময়ের মতো একাধিক নতুন এবং উচ্চাকাঙ্খী ক্ষেত্রে প্রবেশ করেছে।” মোদীর মতে, প্রতিরক্ষাক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমান অংশীদারি, দ্বিমুখী বিনিয়োগের প্রসার এবং দুই দেশের নাগরিকদের মধ্যে নিবি়ড় যোগাযোগ দ্বিপাক্ষিক কৌশলগত সম্পর্কে এক নতুন গতি এনেছে।
অন্য দিকে, আনওয়ার ইব্রাহিম জানিয়েছেন, মালয়েশিয়ার সংস্থাগুলি যাতে ভারতের দ্রুত বর্ধনশীল বাজারের সুযোগ নিতে পারে, সে জন্য “ভারতীয় বাজারে মালয়েশিয়ার রফতানিযোগ্য পণ্যের প্রবেশ আরও সহজ ও ত্বরাণ্বিত করার” বিষয়টি তিনি মোদীর কাছে তুলে ধরেছেন। তাঁর কথায়, “মালয়েশিয়া ও ভারত উভয়েরই পরিপূরক শক্তি রয়েছে, যাকে শিল্পক্ষেত্রে যৌথ উদ্যোগ, সরবরাহ শৃঙ্খলের (সাপ্লাই চেন) একত্রীকরণ, মেধা উন্নয়ন এবং দ্বিমুখী বিনিয়োগের মাধ্যমে কাজে লাগানো যেতে পারে।

