কলকাতা 

বাংলা মমতা মুক্ত হয়েছে এবার দিল্লিকে রাহুল মুক্ত করার আহ্বান জানালেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন

শেয়ার করুন

এবার দিল্লি থেকে রাহুল মুক্ত করার ডাক দিলেন বিজেপির জাতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। আজ সোমবার কলকাতা ধর্মতলায় বিজেপির গণতন্ত্র বাঁচাও ও অরাজকতা হটাও কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে এই আহ্বান জানালেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। তিনি বলেন, বাংলা যেমন মমতামুক্ত হয়েছে তেমন দিল্লিকেও রাহুলমুক্ত করতে হবে। এই সভা থেকেই বিরোধীদের তোপ দাগেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। তিনি এসআইআরের ‘আসল’ অর্থ স্পষ্ট করে দেন। তিনি জানান, “এসআইআরের অর্থ হল, অনুপ্রবেশকারী ভাগাও”।

এসআইআর ও জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সরব বিরোধীরা। রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে সভা করেন বিজেপি বিরোধী ‘ইন্ডি’ জোট। বিরোধীদের এই ‘মিথ্যাচারের’ বিরুদ্ধে পালটা পথে নেমেছে বিজেপিও। দেশের বিভিন্ন শহরে ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও’ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে। সেই কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে কলকাতাতেও মেগা ব়্যালি করল বিজেপি। কলেজ স্ট্রিট থেকে শুরু হওয়া এই মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন নীতীন নবীন। মিছিলটি শেষ হয় ধর্মতলায়। সেখানে সভা থেকে বিরোধীদের তুলোধনা করেন নীতীন নবীন। তিনি জানান, গণতন্ত্র বাঁচানোই মূল লক্ষ্য বিজেপির। বিজেপির কাছে দেশ সবার আগে, ব্যক্তি পরে। বিরোধীদের কাছে ব্যক্তিস্বার্থ সবার আগে। শুভেন্দুর প্রশংসাও শোনা যায় তাঁর মুখে। তিনি জানান, মমতামুক্ত বাংলা থেকে তোলাবাজি শেষ হয়ে গিয়েছে। রাজ্যে তৃণমূলের গুন্ডাগিরি বন্ধ করেছেন শুভেন্দু।

ধর্মতলার সভা থেকে শুভেন্দু জানান, সোমবার ‘অনুপ্রবেশকারী ভাগাও’ স্লোগান তুলে কলকাতার রাজপথে নেমেছে বিজেপি। এই কর্মসূচিতে প্রায় ২৫ হাজার মানুষের সমাবেশ হয়েছে। দুর্নীতি, পরিবারবাদ ও তোষণের রাজনীতিকে টিকিয়ে রাখতেই বিরোধীরা এখন একত্রিত। কিন্তু জনতার সমর্থন বিজেপির সঙ্গে রয়েছে। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে ২ কোটি ৯২ লক্ষ ভোট পেয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। পাশাপাশি ধর্মতলার সভা থেকে আরশোলা, ছারপোকা, জামাতি, দিমাগি নকশাল, টুকরে টুকরে গ্যাংদের উৎখাতের ডাক দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর হুঙ্কার, গত নির্বাচনের মতো কলকাতা, হাওড়া পুরনির্বাচনেও বিরোদীদের সাফ করে দেবে বিজেপি।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ