কলকাতা 

ম্যাথুর থেকে ‘কাটমানি’ খেতে চেয়েছিলেন তৃণমূলের দুই সাংসদ, বিস্ফোরক ইমেল সিবিআইয়ের হাতে

শেয়ার করুন
  • 7
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

জামিতুল ইসলাম : নারদা তদন্তের গতি বাড়িয়ে এবার সিবিআইয়ের হাতে এল বিস্ফোরক ইমেলের প্রতিলিপি। যেখানে রাজ্যের দুই তৃণমূল সাংসদ নারদ কর্তা ম্যাথুর কাছ থেকে ‘কাট মানি’ খেতে চেয়েছিলেন। ম্যাথুর সঙ্গে ওই দুই সাংসদের সেই ইমেল কথোপকথনের প্রতিলিপি সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিয়েছেন ম্যাথু, যার জেরে এবার বিপদ বাড়ল তৃণমূলের।
তদন্তকারীদের তরফে জানা গিয়েছে, সিবিআইকে ম্যাথু জানিয়েছেন ২০১৮ সালে স্টিং অপারেশনের সময় নিজেকে সন্তোষশঙ্করণ নামে এক ব্যবসায়ী পরিচয় দিয়ে একটি মেল আইডি খুলেছিলেন ম্যাথু। যার কারণ, সেই সময় তৃণমূলের দাপুটে নেতারা ফোনে কথোপকথন করতে অস্বীকার করেছিলেন ম্যাথুর সঙ্গে। জানা গিয়েছে, সেই মেলের কথোপকথনে ওই দুই সাংসদ ম্যাথুকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে ‘কাটমানি’ চায়। এবং যে দুই সাংসদ ওই মেল করেছেন তাঁরা সেই সময় রাজ্যের মন্ত্রীসভার গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী ছিলেন। এবং নারদ তদন্তে এদের নাম এখনও সরাসরি উঠে আসেনি। সিবিআইয়ের তরফে আরও জানা গিয়েছে, যে মেলটি ম্যাথুর তরফে খোলা হয়েছিল তার আইপি অ্যাড্রেস ছিল চেন্নাইতে। এর পাশাপাশি, সেন্ট্রাল ফরেন্সিক সায়েন্স ল্যাবরেটারির সাহায্য নিচ্ছেন, ওই দুই সাংসদের ই-মেল আইডির উৎস জানতে। ওই আইডি ভুয়ো নয় এমনটাই ধারণা সিবিআইয়ের।

সিবিআইয়ের তরফে আরও জানানো হয়েছে, ম্যাথুর কাছে আছে আরও অনেক তথ্য প্রমাণ রয়েছে। কিন্তু ভীষণ হিসাব কষে তার সামান্যই ম্যাথু তুলে দিচ্ছে সিআইআইয়ের হাতে। তবে সবকিছু হাতে পেলে তদন্তে অন্যতম প্রমাণ হিসাবে ব্যবহার করতে পারবে সিবিআই। কিন্তু বোঝাই যাচ্ছে পাকা খেলোয়াড় ম্যাথু। আর ঠিক এখান থেকেই উঠে আসছে মুকুল ও কৈলাশ বিজয়বর্গীয়র সম্প্রতি ফাঁস হওয়া অডিও ক্লিপ। যেখানে, মুকুল রায় কৈলাসকে বলছেন ২ কোটি টাকার বিনিময়ে ম্যাথু এমন তথ্য তাঁদের হাতে তুলে দেবে যাতে শেষ হয়ে যাবে তৃণমূল। মুকুলের সেই দাবি যে অমূলক নয় তা বেশ বোঝা যাচ্ছে সিবিআইয়ের তদন্তে।


শেয়ার করুন
  • 7
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment