কলকাতা 

কেন্দ্রীয় সরকারের নীতির প্রতিবাদে ২৮ সেপ্টেম্বর দেশজুড়ে ব্যবসা ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে ব্যবসায়ী সংগঠন , ইস্যুর প্রতি সমর্থন থাকলেও মুখ্যমন্ত্রীর, ধর্মঘটে সামিল না হতে অনুরোধ

শেয়ার করুন
  • 5
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব প্রতিনিধি : খুচরো ব্যবসায় বিদেশি বিনিয়োগের প্রতিবাদে আগামী ২৮ শে সেপ্টেম্বর দেশজুড়ে ব্যবসা ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে সর্বভারতীয় ব্যবসায়ী সংগঠন সি এ আই টি। ধর্মঘটের ইস্যুগুলোকে সমর্থন করলেও প্রত্যক্ষভাবে ওই ধর্মঘটে সামিল না হওয়ার জন্য রাজ্যের ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর কাছে আবেদন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।কেন্দ্রীয় সরকারের পরোক্ষ সহায়তায় ভিনদেশী অনলাইন সংস্থাগুলি ঘুর পথে খুচরো ব্যবসায় ঢুকে পড়ছে বলে ব্যবসায়ী সংগঠন গুলির অভিযোগ। নবান্নে আজ বাজারদর নিয়ন্ত্রণে গঠিত টাস্ক ফোর্সের বৈঠকে ধর্মঘটে সামিল না হওয়ার জন্য আবেদন জানান মুখ্যমন্ত্রী । নবান্ন সূত্রে খবর তিনি বিক্ষোভ সমাবেশ মিছিল মিটিং পিকেটিং এর মধ্যে দিয়ে প্রতিবাদ জানাতে অনুরোধ জানিয়েছেন ব্যবসায়ীদের।
একইসঙ্গে আসন্ন উৎসবের মরশুমে বাজারদর নিয়ন্ত্রনে রাখতে কালোবাজারি এবং ফড়েদের সক্রিয়তা রুখতেও বৈঠকে প্রশাসনকে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। উৎসবের মরসুমে শাকসবজি ও ফলের দাম যাতে নিয়ন্ত্রণে থাকে তা নিশ্চিত করতে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলিকেও আবেদন জানিয়েছেন। মাঝের হাট সেতু দুর্ঘটনা র প্রেক্ষিতে রাজ্যে কুড়ি চাকার ট্রেলার চলাচল নিষিদ্ধ করেছে রাজ্য সরকার। সেই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে বলে এদিনও বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন। তবে তার প্রভাব যাতে বাজার দরের উপর না পড়ে তা দেখতে হবে বলে জানিয়েছেন মমতা। প্রয়োজনে বড় লরির বদলে ছোট লরি বা ট্রাক ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পেট্রোল ডিজেলের দাম লাগাতার বেড়ে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে বাজার দরে। নতুন করে যাতে মানুষের ওপর চাপ না বাড়ে তা দেখতে হবে। তবে আলু পিঁয়াজের দাম নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলে নবান্ন সূত্রের খবর। তবে পিয়াজ সংরক্ষনের পরিমাণ আরও বাড়ানোর ওপর তিনি জোর দিয়েছেন। রাজ্যে মাছের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য এদিন বৈঠকে নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন রাজ্যে মাছের চাহিদা বার্ষিক ১৯  লক্ষ মেট্রিক টন। তার মধ্যে ১৫ লক্ষ মেট্রিক টন রাজ্যে উৎপন্ন হয়। বাকিটা ভিন রাজ্য থেকে আমদানি করতে হয়। মাছের জন্য অন্য রাজ্যের উপর নির্ভরশীলতা কমাতে হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় পথ নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন ছোট মাছ ধরার ক্ষেত্রে বিধি-নিষেধ আরো কঠোরভাবে পালন করতে হবে। জল ধরো জল ভরো প্রকল্প যে আড়াই লক্ষ পুকুর কাটা হয়েছে সেগুলিকে মাছ চাষে র জন্য আরো বেশি করে কাজে লাগাতে হবে। বন্ধ হয়ে যাওয়া কৃষক মান্ডি গুলি খোলার ব্যবস্থা করার জন্য মুখ্যমন্ত্রী কৃষি বিপনন দপ্তরের সচিব রাজেশ সিনহা কে নির্দেশ দেন।

শেয়ার করুন
  • 5
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment