কলকাতা 

মুখ্যমন্ত্রীকে তদন্তের বাইরে রেখেই লোকায়ুক্ত বিল পাশ বিধানসভায়

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব প্রতিনিধি : বিধানসভায় পাশ হল লোকায়ুক্ত বিল ২০১৮।বিলটিতে রয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী বাদে রাজ্যের যে কোনও নেতা বা মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্তে মুখ্যমন্ত্রীর অনুমতি লাগবে। কিন্তু, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনও দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে কোনও তদন্ত করা যাবে না। এই ওয়েস্ট বেঙ্গল লোকায়ুক্ত বিল, ২০১৮-এর পুরোনো আইনের ৮A ধারা সংশোধনের কথা ছিল। তাতে বলা হয়েছে সরকারি কাজে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে লোকায়ুক্তের মাধ্যমে তদন্ত করা যাবে না। পাশাপাশি মন্ত্রিসভার কোনও সদস্য বা সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে লোকায়ুক্তের মাধ্যমে তদন্ত করতে হলে সরকারের কাছ থেকে সম্মতি নিতে হবে।

একপ্রকার বিলের বাইরে রাখা হয় মুখ্যমন্ত্রীকে। বিরোধিতা ও ডিভিশনাল ভোটাভুটির মধ্য দিয়ে পাশ হয় বিলটি। তবে, পাবলিক অর্ডারের বাইরে অন্য কোনও দপ্তর নিয়ে তদন্ত করতে চাইলে হাউজ়ের দুই তৃতীয়াংশ মেজরিটি বিধানসভায় না থাকলে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে লোকায়ুক্তে তদন্ত করা যাবে না। তাপস রায়ের আনা সংশোধনী গৃহীত হয়ে ভোটাভুটি করে পাস হয়ে গেল এই বিল। ৫৮টি দপ্তর যেগুলো পাবলিক অর্ডারের বাইরে, সেগুলো সংক্রান্ত তদন্তে মুখ্যমন্ত্রীকে আওয়াভুক্ত করতে গেলে বিধানসভায় দুই তৃতীয়াংশ  সমর্থন লাগবে । বিলটি নিয়ে ভোটাভুটির সময় কংগ্রেসের চারজন বিধায়ক ভোট দানে বিরত থাকেন। অন্যদিকে কংগ্রেসের তরফে আরও একটি বিল আনা হয়। সেই বিলটিতে ভোট দানে  বিরত থাকেন আবদুল মান্নান।

লোকায়ুক্ত  বিল পেশ হওয়ার পর আলোচনা শুরু হয়। বিলকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব দেয় বাম, কংগ্রেস। কিন্তু সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবি মানেননি অধ্যক্ষ।
বিল পেশের সময় বিজেপি বিধায়ক দিলীপ ঘোষ প্রশ্ন তোলেন, “মুখ্যমন্ত্রী তো সততার প্রতীক। তাহলে তাঁর এত ভয় কিসের?” এরপর নাম না করে দিলীপ ঘোষকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আপনার প্রধানমন্ত্রী কেন আইন চালু করেননি। আমরা অপেক্ষা করছিলাম কেন্দ্রের আইনের জন্য। কেন্দ্র দেরি করেছে। রাজ্য তার নিজের মত আইন করেছে।”

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment