কলকাতা 

এসএসসি একাদশ-দ্বাদশের যে তালিকা প্রকাশ করেছে তা মেরিট লিস্ট,না প্যানেল লিস্ট ? জানতে চাইল হাইকোর্ট ,আদালতের নির্দেশে ৬১ জন পরীক্ষার্থীর নম্বর বাড়ছে, চূড়ান্ত তালিকা পরিবর্তনের সম্ভবনা

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বিশেষ প্রতিনিধি : স্কুল সার্ভিস কমিশনের শিক্ষক নিয়োগে মামলা জট যেন কিছুতেই কাটতে চাইছে না। আজ বৃহস্পতিবার থেকে স্কুল সার্ভিস কমিশনের একাদশও দ্বাদশ শ্রেনীর শিক্ষক নিয়োগের কউন্সিলিং শুরু হলেও ফের মামলার জটে আটকে যেতে পারে পুরো কাউন্সিলিং প্রক্রিয়াটি বলে আইনজীবীরা মনে করছেন। ২৩ জুলাইয়ে যে বিঞ্জপ্তি এসএসসি দিয়েছে তার উপর গতকালই মামলা রুজু হয়েছে হাইকোর্টে। যদিও আজকে এসএসসি কাউন্সিলিং চালু রেখেছিল । তবে গত ১৬ জুলাই একাদশ-দ্বাদশের মেধা তালিকায় কোন প্রাপ্ত না দিয়ে এসএসসি-র আইনকে মানা হয়নি বলে অভিযোগ করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছিল কয়েকজন চাকরি প্রার্থী । তাদের সেই মামলার শুনানী আজ  বিচারপতি শেখর ববি শরাফের এজলাসে হয়।শুনানিতে বিচারপতি শেখর ববি শরাফ প্রশ্ন তোলেন, যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে তা আদতে মেরিট লিস্ট, না প্যানেল লিস্ট? কারণ মেরিট লিস্টের অর্থ উত্তীর্ণদের তালিকা। এবং তাদের নামের পাশে থাকবে প্রাপ্ত নম্বর। অথবা ক্রম তালিকা। কিন্তু কমিশনের তরফে যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে তাতে শুধু নামের তালিকা রয়েছে। কোনও নম্বর নেই। এই তালিকায় অস্বচ্ছতা রয়েছে বলে বিচারপতি মন্তব্য করেন।

উল্লেখ্য ,প্রথমে কোনও প্যানেল লিস্ট প্রকাশ না করেই কাউন্সেলিং চালু করার অভিযোগ ওঠে স্কুল সার্ভিস কমিশনের বিরুদ্ধে। এর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন ২০ জন চাকরি প্রার্থী। তাঁদের আইনজীবী অভিযোগ করেন , কোনও রকম প্যানেল লিস্ট প্রকাশ না করেই কাউন্সিলিং প্রক্রিয়া শুরু করে কমিশন আইন বিরোধী কাজ করেছে।

এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ১২ জুলাই কলকাতা হাইকোর্ট কাউন্সেলিং প্রক্রিয়ার উপর স্থগিতাদেশ দেয়। বিচারপতি শেখর ববি শরাফ নির্দেশ দেন  মেরিট লিস্ট প্রকাশ করার তিন দিন পর   কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবে এসএসসি । তারপর  ১৬ জুলাই একটি তালিকা প্রকাশ করে এসএসসি। এরপর ২৩ তারিখ কাউন্সেলিং-এর বিজ্ঞপ্তি জারি হয়। তার ভিত্তিতে আজ থেকে শুরু হয়েছে কাউন্সেলিং। আগামীকাল শুক্রবার কমিশন আদালতে জানাবে যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে তা মেরিট লিস্ট, না প্যানেল লিস্ট।
গত ২৩ তারিখ কমিশন কাউন্সেলিং-এর যে নোটিফিকেশন জারি করে সেটিকে চ্যালেঞ্জ করে একটি মামলা হয় গত বুধবার। সেই মামলাটির শুনানি রয়েছে আগামীকাল।

অন্যদিকে নবম-দশম শ্রেনীর ক্ষেত্রে কমিশন নির্ধারিত ৩টি প্রশ্নের উত্তর এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনীর ক্ষেত্রে ইতিহাসের ৫টি প্রশ্নের উত্তর ভুল প্রমাণিত হয়েছে আদালতে। আজ বিচারপতি শেখর ববি শরাফ ৬১ জন মামলাকারীকে(নবম-দশমের  ৩০জন এবং একাদশ-দ্বাদশের ৩১জন) অতিরিক্ত নম্বর দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ফলে, একাদশ -দ্বাদশের যে মেধাতালিকার ভিত্তিতে কাউন্সেলিং শুরু হয়েছে, সেই তালিকায়  রদবদলের সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ ৬১ জন মামলাকারীর অতিরিক্ত নম্বর যুক্ত হবে।

 

 

 

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment