পুজো মরসুমে বইয়ের দোকানে হামলা বাংলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতিরই প্রতিফলন: হাকিকুল ইসলাম
বিশেষ প্রতিনিধি : পুজো মরসুমে রাজ্যজুড়ে বইয়ের দোকানে হামলার ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ও উদ্বেগজনক। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, পুজো মণ্ডপ সংলগ্ন এলাকায় বইয়ের দোকানে হামলা রুখতে আদালতকে পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশ দিতে হচ্ছে! তার পরেও বুলডোজার দিয়ে দোকান ভাঙতে যাচ্ছে পুলিশ। তাহলে জনগণের করের টাকায় পরিচালিত পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা কী? তারা কি শুধুই সরকারবিরোধী আন্দোলন দমন করার জন্য ব্যবহৃত হবে?
বাৎসরিক উৎসব সংলগ্ন এলাকায় যদি বিজেপি ও আরএসএসের কর্মীদের বিরুদ্ধে হামলা ও আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগ ওঠে, তাহলে বাংলার সাধারণ মানুষ কোথায় নিরাপদ থাকবেন? মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়ার পরিবর্তে আতঙ্ক সৃষ্টির কাজে পুলিশ ব্যবহৃত হলে দুর্ঘটনা হওয়া স্বাভাবিক।
রাজ্য সরকার ও পুলিশ প্রশাসনকে অবিলম্বে হামলার ঘটনাগুলির নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। এবং অবলম্বনে বন্ধ করতে হবে বইয়ের দোকানে হামলা।
এসডিপিআই দাবি জানাচ্ছে— পুলিশকে রাজনৈতিক স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

