মুখ্যমন্ত্রী সঙ্গে দেখা করার পর প্রার্থী পদ প্রত্যাহার সঞ্চিতার! নন্দীগ্রামে মমতার কোন প্রার্থী রইল না!
দুপুর একটা নাগাদ শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করার পর নন্দীগ্রাম বিধানসভার উপনির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রার্থী সঞ্চিতা দে প্রধান।। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সঞ্চিতাকে নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন দিয়েছিলেন এবং সেই মতো গত শুক্রবার হলদিয়া মহাকুমার শাসকের দফতরে গিয়ে নিজের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করার পর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন বলে জানা গেছে। এর ফলে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোন প্রার্থী আর রইল না।
আসল তৃণমূল কারা, মমতা না ঋতব্রত শিবির— তা নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছে বিধানসভা ভোটের কয়েক দিন পর থেকেই। উপনির্বাচনে কোন শিবির তৃণমূলের নাম ও প্রতীক পাবে, তা নিয়ে টানাপড়েন শুরু হয়। তার মধ্যেই বৃহস্পতিবার রাতে অন্তর্বর্তী নির্দেশে জোড়াফুল প্রতীক ফ্রিজ় করে দেয় নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার কমিশন জানিয়ে দেয়, কোন শিবির কোন নাম ও প্রতীকে লড়বে। তবে উপনির্বাচন নিয়ে নাটক এখনও চলছে। কমিশনের ঘোষণার মধ্যেই পিডব্লিউডি তাঁবুতে মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে গিয়ে শুভেন্দুর সঙ্গে দেখা করেন সঞ্চিতা।
মুখ্যমন্ত্রীর সাক্ষাতের পর সঞ্চিতাকে নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। আদৌ তিনি মমতার তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে লড়বেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে যায়। তবে বিকেল গড়াতে না গড়াতেই জল্পনার অবসান ঘটল। প্রার্থী পদ প্রত্যাহার করে নিলেন সঞ্চিতা।
শুক্রবার বেলার দিকে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন সঞ্চিতা। দীর্ঘক্ষণ কথা হয় তাঁদের। কী কারণে এই সাক্ষাৎ, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে সেই সাক্ষাতের পর সঞ্চিতা হলদিয়ায় মহকুমাশাসকের দফতরে গিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন। নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা ছাড়া আর কাউকে ‘ডামি’ প্রার্থী রাখেনি মমতার তৃণমূল। ফলে আসন্ন উপনির্বাচনে নন্দীগ্রামে কোনও প্রার্থী রইল না। তার পর পরই সাংবাদিক বৈঠক করে মমতা জানিয়ে দেন, নন্দীগ্রামে তাঁর শিবির কংগ্রেসকে সমর্থন করবে।

