কলকাতা দেশ 

দেশের গনতন্ত্র পরিবেশ বিপন্ন, এই বিপন্নতা থেকে দেশকে মুক্ত করতে হবে : চন্দ্রবাবু নাইডু

শেয়ার করুন
  • 5
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব প্রতিনিধি : দেশের গনতন্ত্র বিপন্ন । সংহতি বিপদের মুখে দাঁড়িয়ে । আর গণতান্ত্রিক বাধ্যবাধকতা ও দেশের চিরন্তন ঐতিহ্য-সংস্কৃতিকে রক্ষার জন্য একজোট হওয়ার সময় এসেছে। দেশ আজ বিপন্ন।দেশের সবকটি প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। এমনকি সাংবিধানিক সংস্থাগুলিও আজ কেন্দ্রের হাতের পুতুলে পরিণত হয়েছে । টাকার অবমূল্যায়ন নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। তেলের দাম ক্রমশ আকাশ ছুঁয়ে ফেলছে। রাজনীতিকদেরও প্রতিমুহূর্তে সিবিআই কিংবা ইডির ভয় দেখানো হচ্ছে।আর এ সবকিছুই হচ্ছে বিজেপির নেতৃত্বে।  দেশকে আগামী দিনে সুস্থির পরিবেশ ফিরিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে আমরা ঐক্যবদ্ধ হতে চলেছি । আজ সন্ধ্যায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে একান্তে বৈঠক করার পর সাংবাদিকদের কাছে এই মন্তব্য করেন  অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু।এদিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকের সময় চন্দ্রবাবুর পাশে বসে প্রায় প্রতিটি কথাতেই সায় দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সাংবাদিকদের কাছে মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়ের কাছে চন্দ্রবাবু আসার কারণ ব্যাখা করতে গিয়ে দক্ষিনে এই প্রবীণ রাজনীতিবিদ বলেন, মমতা দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে একাই লড়াই করে যাচ্ছেন। সেই কারণেই তাঁর সঙ্গে দেখা করা খুবই জরুরি ছিল।  তিনি বলেন,সংসদের অধিবেশন শুরুর আগেই বিরোধী নেতাদের সঙ্গে কথা বলতে চান বলেই এখনই সাক্ষাত সেরে গেলেন ।

সোমবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিজেপি বিরোধী জোটের বিষয়ে কথা বলার জন্য কলকাতায় এসেছেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী তথা তেলগু দেশম পার্টির প্রধান চন্দ্রবাবু নাইডু। পূর্ব নির্ধারিত সময় বিকাল চারটের কিছু আগেই নবান্নে পৌঁছে গিয়েছেন চন্দ্রবাবু। এদিন তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে নবান্নের দরজায় এসে দাঁড়িয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

অন্ধ্রপ্রদেশের বিশেষ মর্যাদা দাবি করে বারবার সরব হয়েছিলেন চন্দ্রবাবু। কিন্তু, কেন্দ্রের বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার সে দাবিতে কর্ণপাত করেনি। এরপরই চরম সিদ্ধান্ত নিয়ে এনডিএ ছাড়ে চন্দ্রবাবুর টিডিপি।

এরপরই সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিজেপিকে রুখতে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করেন দক্ষিণের এই প্রবীণ নেতা। তিনি জানান, অতীতে এনডিএ-তে তিনি যেমন আহ্বায়কের দায়িত্ব সামলেছেন, এবার বিজেপি বিরোধী লড়াইয়ে সবকটি বিরোধী দলকে সঙ্ঘবদ্ধ করার ক্ষেত্রেও তেমন দায়িত্বই তিনি পালন করবেন।

রাহুল গান্ধীর সঙ্গে সাক্ষাতের পরই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা বিজেপি বিরোধী রাজনীতির আরেক মুখ এইচ.ডি. দেবগৌড়ার সঙ্গে দেখা করেন চন্দ্রবাবু। এরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করে বৈঠক স্থির করেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। ফলে, এদিনের এই বৈঠক থেকে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে অ-বিজেপি জোটের সমীকরণ বিশেষ গতি পাবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

 

 

 


শেয়ার করুন
  • 5
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment