কলকাতা 

মিঠুনের বিরুদ্ধে এফআইআর খারিজ নয়, তদন্তে সবরকম সহযোগিতা করার নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের, চাপে পড়ে গেলেন অভিনেতা

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে প্রচারের সময় অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন এই অভিযোগ করে মানিকতলা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন এফআইআর দায়ের করেন এফআইআর দায়ের করেন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। এই এফআইআর বাতিল করার বা খারিজ করে দেওয়ার আবেদন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। আজ শুক্রবার সেই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়ে দেয় এফআইআর খারিজ করা যাবেনা তদন্তে সবরকম সহযোগিতা করতে হবে মিঠুন চক্রবর্তীকে। কলকাতা হাইকোর্টের এই অবস্থানে বেশ খানিকটা চাপে পড়ে গেলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী।

শুক্রবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে মামলার শুনানি শুরু হয়। দুই পক্ষের বক্তব্য শুনে বিচারপতি জানান, এখনই তৃণমূলের অভিযোগ খারিজের বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। তাঁর অন্তর্বর্তী নির্দেশ, আগামী সাতদিন মিঠুন চক্রবর্তীকে তদন্তকারী অফিসারদের সঙ্গে সমস্তরকম সহযোগিতা করতে হবে। তদন্তের স্বার্থে ভারচুয়ালি মিঠুনের সঙ্গে অফিসাররা যোগাযোগ করবেন। এর জন্য বিজেপির তারকা সদস্যকে একটি ভ্যালিড মেল আইডি দিতে হবে। যাতে ভিডিও কলের মাধ্যমে তাঁর সঙ্গে কথা বলা যায়। আগামী ১৮ জুন এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। সেদিন এ বিষয়ে বিস্তারিত শোনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানিয়েছেন।

একুশের বিধানসভার ভোট প্রচারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে নানাভাবে আক্রমণ করা হয়। শুধু তাই নয় প্রচারে বিন্দুমাত্র ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শের পক্ষে সম্মান না জানিয়ে সাম্প্রদায়িক প্রচার চালানো হয়। যদিও মিঠুন চক্রবর্তী সাম্প্রদায়িক কোন প্রচার করেনি তবে তিনি যে প্রচার করেছিলেন তাতেই যথেষ্ট উস্কানি ছিল বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। তিনি বলেছিলেন, “আমি জলঢোঁড়াও নই, বেলেবোড়াও নই। আমি জাত গোখরো, এক ছোবলে ছবি।” এই ধরনের মন্তব্যের জেরেই ৬ মে মানিকতলায় থানায় মিঠুন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে FIR করা হয়। তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা অভিযোগ করেন, এই ধরনের বক্তব্য সন্ত্রাস এবং উত্তেজনায় প্ররোচনা দেয়। তাই অবিলম্বে বিজেপির তারকা সদস্য মিঠুন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানানো হয়। এর বিরুদ্ধেই কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মিঠুন। যার প্রথম শুনানি ছিল আজ।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ