জেলা 

বাংলা ভাগ হলেও রবীন্দ্র-নজরুল অবিভক্তই, কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে মন্তব্য হাসিনার

শেয়ার করুন
  • 10
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ বাংলা ভাগ হলেও রবীন্দ্রনাথ-নজরুল অবিভিক্ত। তাই এই সম্মান কোনও ব্যক্তির নয়। দুই বঙ্গের আপামর বাঙালির। কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শনিবার সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সাম্মানিক ডিলিট উপাধি পাওয়ার পর দুই বাংলার আত্মিক যোগাযোগকে এভাবেই দৃঢ় করলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সেই সঙ্গে তিনি তাঁর বক্তব্যে, ভারতবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতাও স্বীকার করলেন। আবেগঘন ভাষায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ ১৯৭৫ এর মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতবাসী যেভাবে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল, তা চিরকাল মনে রাখবে বাংলাদেশ। যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে সাহায্য করেছিল ভারত। ভারতের এই ঋণ কোনও দিন শোধ করতে পারব না আমরা।’ একইসঙ্গে ইন্দিরা গান্ধী প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, ইন্দিরা গান্ধী যেভাবে আমাদের সহযোগিতা করেছিলেন তাও চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রীকে সুদৃঢ় করতে বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও প্রশংসা করেন হাসিনা। তিনি বলেন এর আগে ১৯৯৯ সালে বিশ্বভারতীতে এসেছিলাম। সেখান থেকে নজরুল ইসলামের জন্মস্থান চুরুলিয়া গিয়েছিলাম। তখন সত্যি সেখানে দুরবস্থা ছিল কিন্তু রাজ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নতুন সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর সেখানকার অবস্থার আমূল পরিবর্তন হয়েছে। কাজী নজরুল ইসলামের নামে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয়েছে। এজন্য মুখ্যমন্ত্রী কে অভিনন্দন। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের জাতীয় কবি নজরুল ইসলামের আদর্শে প্রতিটি বাঙালী যে অনুপ্রাণিত সে কথাও জোর গলায় ঘোষণা করেন হাসিনা।

প্রসঙ্গত, আজ কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সাম্মানিক ডিলিট উপাধি দেওয়া হয়। সে উপলক্ষে  আজ সকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় চত্ত্বরে সাজো সাজো রব ছিল। সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থথ চট্টোপাধ্যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সাাধন চক্রবর্তী সহ অন্যান্যরা। অনুষ্ঠান শেষে এদিন কলকাতায় ফিরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে একটি বৈঠকও করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।


শেয়ার করুন
  • 10
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment