জেলা 

কোচবিহারের শীতলকুচিতে বিক্ষোভের মুখে সুব্রত বক্সী

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক :  ক্ষমতায় আছে ! এখন রাজ্য সরকার বদলের ইঙ্গিত রাজ্যের মানুষ এখনও দেয়নি । সেই নির্বাচন হতে দু বছর বাকী । এখন থেকে রাজ্যে তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন। এবার খোদ দলের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত বক্সী আক্রান্ত হলেন । তিনি সোমবার বিক্ষোভের জেরে কোচবিহারে শীতলকুচি ঢুকতেই পারলেন না । কর্মসূচি বাতিল করে তাঁকে ফিরে আসতে হয়েছে ।

এর নেপথ্যে বিজেপি রয়েছে বলে দাবি করেছেন বক্সী। তিনি বলেছেন বাংলায় বিজেপি অশান্তি ছড়াচ্ছে । তার এই নস্যাৎ করে কোচবিহার জেলা বিজেপির সভানেত্রী বলছেন, কোনও দল নয়, বিক্ষোভ দেখিয়েছেন সাধারণ জনতা।

লোকসভা নির্বাচনের আগে থেকেই কোচবিহারে উত্তেজনা ছিল চরমে। ভোট মেটার পড়েও তাতে ভাটা পড়েনি। উত্তেজনা সবচেয়ে বেশি শীতলকুচি, সিতাই এবং মাথাভাঙায়। সেই শীতলকুচিতেই এ দিনকর্মসূচি ছিল সুব্রত বক্সীর। এলাকায় শান্তি ফেরানোর জন্য তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতগুলোকে নিয়ে বৈঠকে বসার পরিকল্পনা ছিল বক্সীর, দাবি তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্বের। কিন্তু সে বৈঠকে এ দিন বসতে পারেননি বক্সী। বিক্ষোভের মুখে পড়ে শীতলকুচি থেকে ফিরে আসতে বাধ্য হন তিনি।

সুব্রত বক্সীর পথ আটকানোর জন্য এ দিন বড়সড় জমায়েত হয়েছিল। কালো পতাকা এবং পোস্টার-ফেস্টুন নিয়ে জড়ো হয়েছিলেন বিক্ষোভকারীরা। পোস্টারে লেখা ছিল, ‘সুব্রত বক্সী গো ব্যাক’, ‘টিএমসি নিপাত যাক’। রাস্তা পুরোপুরি আটকে দিয়ে এমন ভাবে বিক্ষোভ শুরু হয় যে, গাড়ি ঘুরিয়ে নেন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি।

বক্সী শুধু দলের রাজ্য সভাপতি বা সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক নন, তিনি কোচবিহার জেলা তৃণমূলের পর্যবেক্ষকও।

সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন সুব্রত বক্সী বলেছেন, ‘‘অশান্তি এড়াতেই ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’’ বিজেপি কোচবিহারকে অশান্ত করতে চাইছে বলেও সুব্রত বক্সীর অভিযোগ।

জেলা বিজেপির সভানেত্রী মালতী রাভা রায় অবশ্য তীব্র কটাক্ষ করেছেন সুব্রত বক্সীকে। তিনি বলেন, ‘‘অশান্তি এড়াতে ফিরে যাননি, জনরোষের মুখে পড়ে ফিরে গিয়েছেন। বিজেপির কোনও ভূমিকা এখানে নেই। শীতলকুচিতে যে অবস্থা তৃণমূল তৈরি করেছে, তার প্রতিবাদ জানিয়ে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমেছিলেন। তাঁরাই সুব্রত বক্সীকে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছেন।’’

 

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment