কলকাতা 

আমি যদি বেঁচে থাকি রাজ্য এবং দিল্লি থেকে বিজেপিকে সরাবোই : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক : আমি যদি বেঁচে থাকি তাহলে বিজেপিকে দিল্লি ও রাজ্য থেকে সরাবই। ওয়াই চ্যানেলের ধর্না মঞ্চ থেকে এই দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটে পরাজিত হওয়ার পর এই প্রথম তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাস্তায় দাঁড়িয়ে সভা করলেন। দলের বিধায়ক দের মধ্যে দ্বন্দ্ব তীব্র হলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাস্তায় নামার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের ঢল নেমেছিল ওয়াই চ্যানেলে। জন সমাগম ভালো হয়েছিল তবে সেভাবে সাংসদ এবং বিধায়কদের একটা বড় অংশ এই সভাতে ছিল না।

তিনি এদিন বলেন,‘‘আমি কারও সুদিনে না-হোক, দুর্দিনে আছি।’’ তাঁর কথায়, ‘‘বিজেপি বাদে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক আছে। তবে বিজেপির যাঁরা বলেছেন, তাঁদের পাশেও ছিলাম।’’ ভোটের পর থেকে তাঁকে আটকানোর চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন মমতা। এ-ও বলেন, ‘‘জিয়েঙ্গে তো বিজেপি কো হাটাকে যায়েঙ্গে (যদি বেঁচে থাকি বিজেপি-কে সরাবই)।’’

মমতার অভিযোগ, দিল্লি থেকে বিজেপি সরকার কলকাঠি নেড়ে তৃণমূলকে ফেলে দেওয়ার ‘চক্রান্ত’ হচ্ছে। তবে সেই চেষ্টা ‘বানচাল’ করে দেওয়ার বার্তা দিলেন মমতা। তাঁর কথায়, ‘‘বেআইনি ভাবে আমাদের বিধায়ক, কাউন্সিলর, দলীয় প্রার্থীদের ভয় দেখানো হচ্ছে।’’

মমতার অভিযোগ, দিল্লি থেকে বিজেপি সরকার কলকাঠি নেড়ে তৃণমূলকে ফেলে দেওয়ার ‘চক্রান্ত’ হচ্ছে। তবে সেই চেষ্টা ‘বানচাল’ করে দেওয়ার বার্তা দিলেন মমতা। তাঁর কথায়, ‘‘বেআইনি ভাবে আমাদের বিধায়ক, কাউন্সিলর, দলীয় প্রার্থীদের ভয় দেখানো হচ্ছে।’’

গত শনিবার সোনারপুরে মৃত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে আক্রান্ত হন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ধর্নামঞ্চ থেকে সেই প্রসঙ্গ তোলেন মমতা। তাঁর অভিযোগ, ‘‘ওটা গলির মধ্যে ছিল। হেলমেট না-দিলে পাথরটা ওর মাথায় লাগত।’’ তার পরেই হাসপাতালের ‘অসহযোগিতা’ নিয়ে সরব হন মমতা। তাঁর দাবি, ‘‘যখন সিরিয়াস অবস্থায় রোগী নিয়ে গেলাম তখন সিইও-র থেকে অনুমতি নেওয়ার কথা বলছে। পুলিশ নার্সিং হোমকে থ্রেট করছে। পরে ট্রমা কেয়ারে ভর্তি করল। তখন হাসপাতালের সিইও আমার কাছে এলেন। শোভন চট্টোপাধ্যায়ও ছিল আমার সঙ্গে। আমাদের বললেন, মাফ করবেন। আর চাপ নিতে পারছি না। ভয় দেখানো হচ্ছে।’’


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ