জেলা 

এবার ইসরাইলের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ল ইয়েমেনের হুথি

শেয়ার করুন

ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের তৃতীয় দিনে ‘বন্ধু’কে পাশে পেল ইরান। ইয়েমেন থেকেও ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ শুরু হল ইসরায়েলে। একইসঙ্গে তেল আভিভ থেকে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথিদের লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালানো হয়েছে। ইসরায়েলের বাহিনী জানিয়েছে, তাদের নিশানায় ছিলেন হুথিদের সামরিক বাহিনীর চিফ অফ স্টাফ মুহাম্মদ আল-ঘামারি। যদিও ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্রে তাঁর কোনও ক্ষতি হয়েছে কি না, এখনও স্পষ্ট নয়। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমও তা নিশ্চিত করেনি।

পশ্চিম এশিয়ায় ইরানের অন্যতম সহায়ক ইয়েমেনের হুথিরা। এই গোষ্ঠী বরাবর ইরান সমর্থিত। গাজ়ায় প্যালেস্টাইনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের যুদ্ধেও হুথিরা হামাসের পাশে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু গত শুক্রবার থেকে ইরানের সঙ্গে ইসরায়েলের যে সশস্ত্র সংঘাত চলছে, তাতে এই প্রথম অন্য কোনও দেশের সমর্থন পেল তেহরান। ইসরায়েলের সঙ্গে ইয়েমেনের ক্ষেপণাস্ত্র সংঘাত পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিল।

Advertisement

রবিবার হুথিদের তরফে আনুষ্ঠানিক ভাবে সাম্প্রতিক সংঘাতে ইরানের প্রতি সমর্থন ঘোষণা করা হয়েছে। তাদের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ইয়েইয়া সারেয়া জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় মধ্য ইসরায়েলের জাফ্‌ফা শহরকে লক্ষ্য করে পর পর অনেক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে। ইসরায়েলের সেনাবাহিনীকে অপরাধী (ক্রিমিনাল) বলে উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ‘‘এটা নির্যাতিত প্যালেস্টাইনি এবং ইরানিদের জয়। অপরাধী ইসরায়েলি সেনার বিরুদ্ধে ইরানের অভিযানের সমর্থনে আমাদের এই অভিযান।’’

শনিবার রাত এবং রবিবার ভোরের মধ্যে ইসরায়েল থেকেও পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে ইয়েমেনের দিকে। ইজ়রায়েলি সংবাদমাধ্যমের দাবি, হামলার সময়ে হুথিদের চিফ অফ স্টাফ ঘামারি বৈঠক করছিলেন। তাঁর কমান্ড সদর দফতরেই ক্ষেপণাস্ত্র ফেলা হয়েছে। সেই এলাকায় রাস্তা আটকে অ্যাম্বুল্যান্স নিয়ে আসতে দেখা গিয়েছে হুথিদের। তবে কী হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। ঘামারি নিজে ইরানে প্রশিক্ষিত। ইরান এবং ইয়েমেনের হুথিদের সঙ্গে সংযোগ রক্ষায় তাঁর ভূমিকাই সবচেয়ে বড়।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ