দেশ 

নতুন ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য পুরনো ফরম ৬ প্রকাশ করল কমিশন!

শেয়ার করুন

ঘোষণা হয়েছিল আগেই। সেই মতো নতুন ভোটারদের নাম তোলার ফর্মে (ফর্ম ৬) বদল আনল নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত থেকে কমিশনের ‘ইসিআইনেট’ পোর্টালে যে ফর্ম ৬ পাওয়া যাচ্ছে, তাতে আবেদনকারীকে এসআইআর সংক্রান্ত তথ্য দিতে হচ্ছে না। তবে যে ১০টি রাজ্য এবং তিনটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে, কেবল সেগুলির জন্য এই নতুন ফর্ম প্রযোজ্য হবে।

শনিবার নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছিল যে, যে সমস্ত রাজ্যে এসআইআর হচ্ছে না বা হয়ে গিয়েছে, সেগুলিতে ১৯৬০ সালের ভোটার আইন অনুযায়ী ফর্ম ৬ পাওয়া যাবে। অর্থাৎ, এসআইআর-পর্বের আগে যে চেহারায় ফর্ম ৬ মিলত, সেই চেহারাতেই সেটি মিলবে। এই ঘোষণার তিন দিন পর কমিশনের পোর্টালে ফের পুরনো চেহারার ফর্ম ৬ পাওয়া গেল, যেখানে ভাবী ভোটারকে এসআইআর সংক্রান্ত কোনও নথি দিতে হচ্ছে না।

বুধবার রাতে কমিশনের পোর্টালে ঢুকে দেখা যায়, এই সংক্রান্ত অনুচ্ছেদটি ফর্মে নেই। আগে ফর্ম ৬-এর জে এবং কে সেকশনে এসআইআর সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে হত নতুন ভোটারকে। আপাতত ১০টি রাজ্য এবং তিনটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ভোটারদের এই উত্তর দিতে হচ্ছে না। দেশের যে ১৬টি রাজ্য এবং চারটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআর-এর কাজ চলছে, সেখানে ফর্ম ৬-এ কোনও বদল আনা হয়নি।

গত বুধবার প্রকাশিত ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয় যে, গত ১০ মাসে ১৪ বার কমিশনের সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই নির্বাচন কমিশনার সঁধু এবং জোশী। ফর্ম ৬-এর বদল নিয়েও ওই দু’জন কমিশনার আপত্তি জানান বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়। এসআইআর-পর্বে নতুন ভোটারদের জানাতে হয়েছে যে, আগের এসআইআর-এ তাঁদের বাবা বা পিতামহের নাম রয়েছে কি না। সরকার এই সংক্রান্ত আইনে সংশোধন করার আগে ফর্ম বদলানো ঠিক হবে না বলে আগেই সতর্ক করেছিলেন সঁধু। কিন্তু সেই সতর্কতা কানে নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর প্রতিবেদন বলছে, গত ১৩ অগস্ট সঁধু ফর্ম ৬-এর এই বদলকে ‘অবৈধ’ বলেছিলেন। পিতা কিংবা পিতামহের সঙ্গে ওই ম্যাপিং সংক্রান্ত বিষয়টি দ্রুত সরিয়ে ফেলা উচিত বলেও মতপ্রকাশ করেন তিনি।

 


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ