জেলা 

পিএসসি-র নিয়োগ পরীক্ষাকে ঘিরে চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলা আসানসোলের নিয়ামতপুরে , অভিযোগ পরীক্ষার্থীদের তুলনায় অনেক কম প্রশ্নপত্র পাঠান হয় এতেই বিপত্তি

শেয়ার করুন
  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : ২৭ জানুয়ারি রবিবার ছিল রাজ্য জুড়ে পিএসসি-র খাদ্য দফতরের নিয়োগ পরীক্ষা । আর এই পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয় আসানসোলের নিয়ামতপুরের একটি বিদ্যালয়ে। বিশেষ সূত্রে জানা গেছে , নির্ধারিত সময়ে প্রয়োজনের তুলনায় কম প্রশ্নপত্র আসায় পরীক্ষা দিতে পারেনি পরীক্ষার্থীরা। চারশো জন পরীক্ষার্থীর জন্য মাত্র একশোটা প্রশ্নপত্র আসে। তাতে একশোজন পরীক্ষায় বসে। অভিযোগ, বিক্ষোভের জেরে ১৩ জনের প্রশ্নপত্র ছিঁড়ে দেওয়া হয়। ঘণ্টা দুয়েক পর পরীক্ষা দেয় ৮৬ জন। দেরিতে পরীক্ষা দিতে দেওয়ায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ তুলেছে অন্য পরীক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, ফের নতুন করে পরীক্ষা নিতে হবে।

আজ  ফুড সাপ্লাই বিভাগের এএসআই পদের পরীক্ষা ছিল। জানা গেছে, কুলটির নিয়ামতপুর সংলগ্ন বেলরুই এন জি ইন্সটিটিউশনে চারশো জন পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল। দুপুর একটায় পরীক্ষা শুরুর কথা থাকলেও প্রশ্নপত্র আসে মাত্র একশোটি। বাকি পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে না পেরে হই হট্টগোল শুরু করে। এর জেরে পিছিয়ে যায় পরীক্ষার সময়। অন্যদিকে, যে একশো জন পরীক্ষায় বসেছিল তাদের মধ্যে ১৩ জনের প্রশ্নপত্রও ছিঁড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থানে আসে পুলিশ। আসেন আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কর্তা অনমিত্র দাস। আসেন অতিরিক্ত জেলাশাসক এডুকেশন প্রশান্ত মণ্ডলও। তীব্র বিশৃঙ্খলায় পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে শুরু হয়নি। পরে বেলা সাড়ে তিনটে থেকে পাঁচটা পর্যন্ত পরীক্ষা হয়। পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রশ্নপত্র হোয়াটসঅ্যাপে ততক্ষণে ভাইরাল হয়ে গেছে। কারণ অন্যান্য জায়গায় দুপুর একটা থেকে দুপুর আড়াইটে পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে। আর আসানসোলে পরীক্ষা শুরু হয় বেলা সাড়ে তিনটেয়।

যদিও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয় , “তেমন কোনও বিশৃঙ্খলা হয়নি। প্রশ্নপত্র দেরিতে আসায় দেরি করে পরীক্ষা শুরু হয়েছে। এতে ৮৬ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছেন।” প্রশাসনের  দাবি, প্রথমে একশোটা প্রশ্নপত্র আসলেও পরে চারশোটাই আসে কিন্তু তাতে পরীক্ষা দেয়নি বাকিরা। যদিও এই দাবি খারিজ করেছে পরীক্ষার্থীরা।


শেয়ার করুন
  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment