জেলা 

কর্মমুখী শিক্ষা : আজকের প্রয়োজন ও আগামীর পথ– শীর্ষক আলোচনায় গুণী পেশাজীবীদের সমাবেশ দক্ষিণ দিনাজপুরের বেস আন নূর মডেল স্কুলে

শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিনিধি : বর্তমান যুগে কর্মসংস্থানের চাহিদা অনুযায়ী কর্মমুখী শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন এখন সময়ের বড় দাবি। এই বিষয়টিকে সামনে রেখে দক্ষিণ দিনাজপুরের বেস আন নূর মডেল স্কুলে অনুষ্ঠিত হলো এক বিশেষ আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান।

প্রাক্তন ডি.এস.পি ফরিদ হোসেন মহাশয়ের সভাপতিত্বে অনলাইনে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ও বর্তমানে ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট কাউন্সিল অফ ভোকেশনাল এডুকেশন অ্যান্ড স্কিল ডেভেলপমেন্টের সম্মানিত চেয়ারম্যান মাননীয় শ্রী পূর্ণেন্দু বসু।

তিনি বলেন—”বর্তমান শিক্ষার পদ্ধতি বদলাতে হবে। শুধু বইয়ের পড়া নয়, বরং দক্ষতা-ভিত্তিক শিক্ষা ও বাস্তবমুখী প্রশিক্ষণই আগামী প্রজন্মের সাফল্যের চাবিকাঠি। কর্মমুখী শিক্ষা ছাড়া আত্মনির্ভরতা সম্ভব নয়।”

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—

বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও কীটতত্ত্ববিদ্ শান্তনু ঝা , নিউ দিল্লি থেকে কৃষি বিজ্ঞানী অধ্যাপক মতিয়ার রহমান খান , দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কৃষি অধিকর্তা অমিত চট্টোপাধ্যায় ,শিক্ষক ও সাংবাদিক নায়ীমুল হক দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদ কর্মী মমেনুর মন্ডল ,সৈনিক স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষক মোঃ মহসিন,দেশের মাটি ফার্মাস প্রোডিউসার কোম্পানির ডিরেক্টর মাখলুকাত হোসেন সহ আরো অনেকে ।

অধ্যাপক শান্তনু ঝা বলেন—কর্মমুখী শিক্ষা শুধু চাকরি নয়, স্বনির্ভরতা ও উদ্যোক্তা তৈরির পথ।

কৃষি, পশুপালন, মৎস্যচাষ, তথ্য প্রযুক্তি, কারিগরি প্রশিক্ষণ, হস্তশিল্পসহ বিভিন্ন খাতে এই শিক্ষা জরুরি । কিছু বিজ্ঞানী মতিউর রহমান খান বলেন

দেশে বেকারত্ব কমানোর অন্যতম সমাধান কর্মমুখী শিক্ষা। গ্রামীণ ও মফস্বল এলাকায় কর্মমুখী শিক্ষা চালু করলে গ্রামেও কর্মসংস্থান বাড়বে ।

উক্ত অনুষ্ঠানে আঞ্চলিক সফল উদ্যোক্তাদের সংবর্ধনা প্রদানের পাশাপাশি বেস আন নূর মডেল স্কুলের ২০২৫ সালের নিট পরীক্ষায় সফল ছাত্র-ছাত্রীদেরও সংবর্ধনা দেয় স্কুল কর্তৃপক্ষ।

বেস্ এডুকেশনাল হাব-এর উদ্যোগে ‘মোস্তাক হোসেন ট্যালেন্ট সার্চ’-এর বই এবং কর্মমুখী শিক্ষা বিষয়ক বিশেষ ফোল্ডার আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হয়।

অনুষ্ঠানজুড়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও স্থানীয় মানুষদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ফরিদ হোসেন বলেন—”এই ধরনের উদ্যোগ আগামী প্রজন্মকে বাস্তব জীবনে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে। পড়াশোনার পাশাপাশি হাতে-কলমে দক্ষতা অর্জনের গুরুত্ব ছাত্রদের বুঝতে হবে।”


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ