আন্তর্জাতিক 

গাজা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত ইসরাইলি বন্দী মুক্তি বিষয়ে কোন আলোচনা হবে না জানিয়ে দিল হামাস

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক : গাজার সবচেয়ে বড় স্বাস্থ্যকেন্দ্র আল শিফা হাসপাতালকে অবরুদ্ধ করে গোলাগুলি চালানোর জন্য  শেষ পর্যন্ত হামাস ইসরাইল আলোচনা ভেস্তে হয়ে গেল। এই হাসপাতালে বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করে ইসরাইল যে মানবাধিকার বিরোধী কাজ করেছে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে গাঁজার ইসলামী জ্বিহাদ আন্দোলন সব রকম আলোচনা না চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগে কাতার সরকারের উদ্যোগে বন্দী বিনিময় বিষয়ে ইসরাইল এবং হামাসের মধ্যে আলোচনা করছে চলছিল। আর এই আলোচনায় মধ্যস্থতার ভূমিকায় ছিল কাতার সরকার।

এ বিষয়ে ফিলিস্তিনের ইসলামী জিহাদ আন্দোলনের মহাসচিব জিয়াদ আল-নাখালা বলেছেন, গাজা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত ইসরাইলের সঙ্গে বন্দী বিনিময় করা হবে না।

গত ৭ অক্টোবর ইসরাইলের অভ্যন্তরে হামাস ও জিহাদ আন্দোলনের যোদ্ধারা নজিরবিহীন সফল অভিযান চালায় এবং সে সময় ইসরাইলের প্রায় আড়াইশ সেনা ও অবৈধ ইহুদি বসতি স্থাপনকারীকে বন্দী হিসেবে গজায় নিয়ে যায়। অবশ্য এর মধ্যে বেশ কিছু বিদেশি নাগরিক রয়েছে বলে পরে জানা গেছে।

বন্দীদের মুক্তি নিশ্চিত করার জন্য ইসরাইল যে পদ্ধতি অনুসরণ করছে গতকাল (মঙ্গলবার) জিয়াদ আল-নাখালা তার কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ইসরাইল যে কৌশল অবলম্বন করছে তার কারণে জিহাদ আন্দোলন দখলদার সরকারের সঙ্গে হয়তো কোনো চুক্তি করবে না যতক্ষণ পর্যন্ত পরিস্থিতির উন্নতি না হয়।

এর ৫ দিন আগে জিহাদ আন্দোলন দুজন ইসরাইলি বন্দীর একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করে বলেছিল, মানবিক কারণে এবং চিকিৎসার প্রয়োজনে এই দুই ব্যক্তিকে তারা মুক্তি দিতে প্রস্তুত রয়েছে, তবে বন্দী বিনিময়ের ব্যাপারে ইসরাইলকে জিহাদ আন্দোলনের শর্ত পূরণ করতে হবে।

ইসরাইলি বন্দীদের মুক্তির ব্যাপারে কাতারের মধ্যস্থতায় বেশ আগে থেকেই আলোচনা চলছে কিন্তু গত রবিবার হামাস বলেছে, তারা বন্দী বিনিময়ের ব্যাপারে আলোচনা আপাতত স্থগিত করছে কারণ গাজায় ইসরাইলের বর্বর আগ্রাসন বেড়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে ফিলিস্তিনি একটি সূত্র জানিয়েছে, গাজার আশ-শিফা হাসপাতালের ওপর অবরোধ আরোপ করার পর ফিলিস্তিনিরা বন্দী বিনিময়ের আলোচনা স্থগিত করেছেন।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ