কলকাতা 

দক্ষিণেশ্বরের যুব তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি বেধড়ক মারধর করলো তৃণমূলের অপর গোষ্ঠী

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক : অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যাই বলুক না কেন তৃণমূল কংগ্রেস দলের মধ্যে যেকোন শৃঙ্খলা নেই তা বারবার প্রমাণিত হচ্ছে। সমগ্র রাজ্যজুড়ে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে নেতারা নিজেরাই অশান্তি করে চলেছে। আজ কলকাতার অদূরে দক্ষিণেশ্বরে তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীকন্দলের শিকার হলেন ওই দলেরই যুব নেতা অরিত্র ঘোষ। ওই তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয় এবং গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ার পর তাকে বেধড়ক মারধর করে তৃণমূলের অপর গোষ্ঠীর লোকেরা।গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে বেলঘরিয়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দক্ষিণেশ্বরের আড়িয়াদহ এলাকায় যুব তৃণমূল নেতা অরিত্র ঘোষ আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি বাইকে চেপে অফিসে যাচ্ছিলেন। অভিযোগ, আচমকা তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। কিন্তু গুলি অরিত্রের গায়ে লাগেনি। লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ার পর দুষ্কৃতীরা অরিত্রকে ঘিরে ফেলে। তাঁকে রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয়। লোহর রড দিয়ে অরিত্রকে মারা হয়েছে বলে অভিযোগ। মারের চোটে তাঁর হাত-পা ভেঙে গিয়েছে।

এই ঘটনায় অভিযোগের তির তৃণমূলের অন্য এক গোষ্ঠীর দিকে। ওই এলাকায় শাসকদলের অপর নেতা জয়ন্ত সিংহ। অভিযোগ, তাঁর দলবলই অরিত্রের উপর হামলা করেছে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বেলঘরিয়া থানার পুলিশ। তারা তদন্ত শুরু করেছে। কারা হামলা করেছে, কেনই বা হামলা, পুলিশ তা খতিয়ে দেখছে। তবে পুলিশ এলাকায় গুলি চলার কথা স্বীকার করেনি।

হাসপাতাল থেকে অরিত্র বলেছেন, ‘‘আমি বাইকে করে অফিসে যাচ্ছিলাম। বাড়ি থেকে বেরোনোর পরেই জয়ন্ত সিংহ এবং তাঁর দলের লোকেরা আমাকে গুলি করে। গুলিটা পায়ের ফাঁক গলে বেরিয়ে যায়। আমি বাইক থেকে পড়ে যাই। তার পর ওরা আমাকে রড, লাঠি দিয়ে আধ ঘণ্টা ধরে মারে। আমি চাই প্রশাসন এর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিক।’’

পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রাক্কালে যেভাবে দলের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠী কোন্দলের শিকার হয়ে একের পর এক তৃণমূল নেতারা আক্রান্ত হচ্ছে তাতে আর যাই হোক দলের পক্ষে শুভ লক্ষণ নয়।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ