দেশ 

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং অমিত শাহের বিরুদ্ধে নির্বাচন বিধিভঙ্গের জমা পড়া অভিযোগের নিস্পত্তি ৬ মে-র মধ্যে করতে হবে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : নির্বাচন কমিশন সংবিধান মেনে চলছে না । বিজেপি দল ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ইশারাতে চলছে এই অভিযোগ বিরোধীরা করে আসছিল । এমনকি যোগীর বিরূপ মন্তব্যের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন চুপ থাকার সময় দেশের শীর্ষ আদালত কমিশনকে ধমক দিয়েছিল । আজ বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট আবারও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও বিজেপি সভাপতি অমিত শাহের বিরুদ্ধে নির্বাচনী বিধিভঙ্গের যে সব অভিযোগ বকেয়া রয়েছে, সেগুলির শুনানি ৬ মে-র আগে সেরে ফেলতে হবে ।

প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চের সামনে নির্বাচন কমিশন বলেছে মোদী ও অমিত শাহের বিরুদ্ধে কংগ্রেস এখনও পর্যন্ত যে ১১টি অভিযোগ জমা করেছে, তার মধ্যে দুটির ব্যাপারে ইতিমধ্যেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়ে গিয়েছে। বুধবার নির্বাচন কমিশন প্রধানমন্ত্রী মোদীকে দ্বিতীয় ক্লিন চিট দিয়েছে। গত ৯ এপ্রিল মহারাষ্ট্রের লাতুরে প্রথম ভোটারদের কাছে বালাকোট আ্রক্রমণের প্রসঙ্গ তুলে ভোট চান মোদী, এমনটাই অভিযোগ ছিল।

এর আগে গত ১ এপ্রিল মহারাষ্ট্রের ওয়ার্ধায় প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে নির্বাচনী বিধিভঙ্গের যে অভিযোগ ছিল, তা থেকেও নিষ্কৃতি দেওয়া হয়েছে তাঁকে। ওয়েনাড় থেকে রাহুল গান্ধীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত সম্পর্কে মোদী বলেছিলেন, “কংগ্রেস এখন সংখ্যালঘুরা যেখানে সংখ্যাগুরু, তেমন জায়গায় আশ্রয় নিচ্ছে।”

কংগ্রেস সাংসদ সুস্মিতা দেব এ ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তাঁর হয়ে আদালতে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী অভিষেক মনু সাংভি। তিনি বলেন কংগ্রেস নির্বাচন কমিশনে মোদী-অমিত শাহের বিরুদ্ধে ১১টি অভিযোগ করেছেন, কিন্তু তার মধ্যে মাত্র দুটির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রঞ্জন গগৈ, দীপক গুপ্তা ও সঞ্জীব খান্নাকে নিয়ে গঠিত বেঞ্চ বলে আবেদনকারীদের বাকি সওয়াল শোনার দিন ৬ মে। তার আগে নির্বাচন কমিশন এ ব্যাপারে তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবে।

মঙ্গলবার ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল, গত ৫ এপ্রিল থেকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা এবং নির্বাচন কমিশনার অশোক লাভাসা এবং সুশীল চন্দ্রাকে নিয়ে পুরো কমিশন  প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিধিভঙ্গের অভিযোগ সম্পর্কে আলোচনা করেনি।

গত ৫ এপ্রিল কংগ্রেস নরেন্দ্র মোদী এবং অমিত শাহের বিরুদ্ধে প্রথম অভিযোগ দায়ের করে।

এবারের নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে আগেই প্রশ্ন উঠেছিল এবার তাদের পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠল । স্বাধীনতা ৭২ বছরে এভাবে নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জের পড়তে হয়নি । এমনকি কোনো এখনও পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে আদালতে গিয়ে সওয়াল করতে হয়নি ।

 

 

 

 

 

 

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment