দেশ 

দক্ষিণ-পশ্চিম দিল্লিতে হুড়মুড়িয়ে ধসে পড়ল পাঁচতলা বাড়ি

শেয়ার করুন

দক্ষিণ-পশ্চিম দিল্লি এলাকায় হুড়মুড়িয়ে ধসে পড়ল পাঁচতলা একটি বাড়ি।  ধ্বংসস্তূপের মধ্যে বেশ কয়েক জন আবাসিক আটকে রয়েছেন বলে আশঙ্কা। খবর পাওয়ামাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় দমকল, পুলিশ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ।

জানা গিয়েছে, রবিবার দুপুর দেড়টা নাগাদ দিল্লির চাণক্যপুরীর কাছে মোতি বাগ এলাকায় ওই বাড়িটি ভেঙে পড়েছে। দমকলবাহিনী দুপুর ১টা ৩৫ মিনিট নাগাদ খবর পায়। খবর পাওয়ামাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় দমকলের আটটা ইঞ্জিন। পরে আরও কয়েকটি দমকলের ইঞ্জিন পাঠানো হয় ঘটনাস্থলে। দিল্লির এই দুর্ঘটনার বেশ কিছু ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে । সেই সব ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, ধ্বংসস্তূপ ছড়িয়ে রয়েছে। সেখানে উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে। ভিডিয়োয় অনেক লোকের জমায়েত দেখা যাচ্ছে।

দমকল আধিকারিকেরা জানান, ওই বাড়িতে অনেক পড়ুয়া ‘পেইং গেস্ট’ হিসেবে থাকতেন। রবিবার হওয়ায় অনেকেই বাড়িতে ছিলেন। এক প্রত্যক্ষদর্শীর কথায়, ঘটনার সময় ওই বাড়িতে অন্তত ৫০ জন পড়ুয়া ছিলেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ভেঙে পড়া ওই বাড়ির আশপাশে আরও কয়েকটি বাড়িও পড়ুয়াদের থাকার জন্য ভাড়া দেওয়া হয়। তেমনই এক বাড়ির ‘পেইং গেস্ট’ পড়ুয়া সংবাদসংস্থা এএনআই-কে জানিয়েছেন, ধ্বংসস্তূপের তলা থেকে তিনি কয়েক জনের আর্তনাদ শুনেছেন। বিকেল ৪টে পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, ধ্বংসস্তূপের তলা থেকে চার জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তাঁদের সকলকেই দিল্লির এমসে ট্রমা কেয়ার সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, চার জনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক।

পুলিশ জানিয়েছে, এটি ছিল মূলত আবাসিক ভবন। তবে সেখানে অনেক পড়ুয়া পেয়িং গেস্ট হিসেবে থাকতেন। ওই বাড়ির নীচে অনেক গাড়ি পার্ক করা ছিল। বাড়িটি ভেঙে পড়ার কারণে সেই গাড়িগুলিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ডিসিপি (দক্ষিণ-পশ্চিম) অমিত গোয়ল বলেন, ‘‘কত জন ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে রয়েছেন, সেই সংখ্যা এখনই নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়।’’

ঘটনাস্থলে রয়েছেন স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক অনিল শর্মা। তিনি বলেন, ‘‘আমরা প্রার্থনা করছি আটকে পড়া সকলকে জীবিত অবস্থায় যাতে উদ্ধার করা যায়। মুখ্যমন্ত্রী (রেখা গুপ্ত) ঘটনাস্থলে একটি দলও পাঠিয়েছেন।’’ ঘটনাস্থলটি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ ক্যাম্পাসের কাছেই। ফলে ওই এলাকায় অনেক পড়ুয়াই থাকেন। কী কারণে বাড়িটি ভেঙে পড়ল, সেই কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, ওই বিল্ডিংয়ের বেসমেন্টে নির্মাণের কাজ চলছি।

 


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ