খেলা 

পুর ভোটের প্রস্তুতি শুরু, জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠক কমিশনের!

শেয়ার করুন

পশ্চিমবঙ্গের কয়েক জেলায় রয়েছে পুরভোট। তা মাথায় রেখে বুধবার পর্যালোচনা বৈঠকে বসেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। নেতৃত্বে ছিলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার কৃষ্ণা গুপ্ত। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসকেরা ছিলেন বৈঠকে।

পুরভোটে আবার রাজ্যের বেশ কিছু ভোটারের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। স্থির হয়েছে, ১ জুলাই প্রকাশিত তালিকার উপর নির্ভর করেই হবে পুরভোটের ভোটার তালিকা। সূত্রের খবর, বুধবারের বৈঠকে সেই ভোটার তালিকা নিয়েই আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি, পুর এলাকার সীমানা নির্ধারণ, আসন সংরক্ষণ, ইভিএমের ব্যবস্থাপনা, ভোটগ্রহণ কেন্দ্র-সহ নির্বাচনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ভোটের প্রস্তুতি কতদূর এগিয়েছে, তা খতিয়ে দেখেছে কমিশন। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি আসন সংরক্ষণের খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে। তার পরে বিভিন্ন আপত্তি খতিয়ে দেখে অক্টোবরের শেষে চূড়ান্ত সংরক্ষণ তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে।

বর্তমানে রাজ্যের ১২ জেলার মোট ১৫টি পুরসভায় নির্বাচিত পুরবোর্ড নেই। প্রশাসক বসিয়েই চলছে পুর পরিষেবা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নজরে রয়েছে হাওড়া পুরসভা, যেখানে গত ১৩ বছর ধরে ভোট হয়নি। মন্ত্রিসভা গঠনের পরেই বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।

হাওড়া ছাড়াও যে সব পুরসভায় দীর্ঘ দিন নির্বাচন হয়নি, তার মধ্যে রয়েছে দুর্গাপুর পুরসভা, মুর্শিদাবাদের ডোমকল, উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ, দক্ষিণ দিনাজপুরের বুনিয়াদপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনার পূজালি, দার্জিলিং জেলার কার্শিয়াং ও মিরিক, কালিম্পং জেলার কালিম্পং, পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া ও হলদিয়া, নদিয়ার কুপার্স ক্যাম্প, বীরভূমের নলহাটি, হাওড়ার বালি এবং জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি পুরসভা। প্রশাসনিক সূত্রের দাবি, এই পুরসভাগুলির অধিকাংশেরই শেষ বার নির্বাচন হয়েছিল ২০১৭ সালে।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ