প্রচ্ছদ 

ক্ষুদিরামের স্মরণ মঞ্চেই শিউলি সাহা গো ব্যাক স্লোগান!

শেয়ার করুন

বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর ফাঁসির দিনে তাঁর জন্মভিটে বলে পরিচিত মোহবনিতে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন কেশপুরের বিধায়ক শিউলি সাহা। ঋতব্রত তৃণমূলের বিধায়ককে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিলেন স্থানীয়েরা। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ বিশিষ্টদের জন্য মঞ্চ বাঁধা হয়েছিল। কিন্তু মঞ্চে শিউলি ওঠেননি।

মঙ্গলবার পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরের মোহবনিতে ক্ষুদিরামকে শ্রদ্ধা জানানোর অনুষ্ঠান পালিত হয়। মুখ্যমন্ত্রী সেখানে পৌঁছোনোর আগে বিরোধী শিবিরের বিধায়ক শিউলি পৌঁছোন। তাঁকে দেখেই দর্শকাসন থেকে উঠে পড়েন একাংশ। মুহূর্তের মধ্যে শোরগোল পড়ে যায়। ‘শিউলি, গো ব্যাক’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা। বিক্ষোভকারীদের এক একজনের অভিযোগ এক একরকম। ক্ষুদিরামকে শ্রদ্ধা জানাতে যাওয়া এক মহিলা চেঁচাতে থাকেন, ‘‘আমি উৎপল পাঁজার মা বলছি। শিউলি সাহা হটাও।’’ স্থানীয় বিধায়কের উদ্দেশে তিনি বলতে থাকেন, ‘‘আমাদের অনেক জ্বালিয়েছে… অনেক অত্যাচার করেছে। অনেক মেরেছে, অনেক গাল দিয়েছে। আমার স্বামীকে মেরে পঙ্গু করে রেখেছে। লোক লাগিয়ে মেরেছে।’’

গত জুন মাসেও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কোলাঘাটে প্রশাসনিক বৈঠক করেছিলেন তৃণমূলের টিকিটে জয়ী কেশপুরের বিধায়ক শিউলি। সে বার মমতার সরকারকে নিশানা করে বলেছিলেন, ‘‘আগের সরকারের প্রশাসনিক বৈঠকে মন্ত্রী থাকাকালীন বলার পর দ্বিতীয় বার বলার সুযোগ থাকত না। একটা প্রোপোজাল দেওয়ার পর সেকেন্ড প্রোপোজাল বললে, বলত, ‘বোসো, আর বলতে হবে না।’’’

অন্য দিকে, মঙ্গলবার বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, ১০ বছরের বিধায়ক হয়ে কেশপুরের কোনও কাজ করেননি শিউলি। আজ তিনি ক্ষুদিরামকে শ্রদ্ধা জানাতে এসেছেন। কিন্তু স্বাধীনতা সংগ্রামীর জন্মভিটা বলে পরিচিত স্থানের সংরক্ষণের জন্য কোনও উদ্যোগী হননি।

শিউলির প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে মুখ্যমন্ত্রী প্রবেশ পর্যন্ত তিনি মোহবনীতেই ছিলেন। তার পর তিনি বেরিয়ে যান।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ