দেশ 

জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’-র সমমর্যাদা পেতে চলেছে ‘, না গাইলে কড়া শাস্তি

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক :  জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’-র (Jana Gana Mana) সমমর্যাদা পেতে চলেছে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী সৃষ্টি ‘বন্দেমাতরম’ (Vande Mataram)। এই জাতীয় স্তোত্রটির সম্মান রক্ষার্থে এবার সংসদে বিল আনছে কেন্দ্র। গত মে মাসেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) মন্ত্রিসভা এই সংক্রান্ত প্রস্তাবে সবুজ সংকেত দিয়েছিল। আর এবার সেই প্রস্তাবকে আইনি রূপ দিতে সংসদে আনা হচ্ছে নতুন বিল (Prevention of Insults to National Honour Amendment Bill)। আজ সোমবার, সংসদের বাদল অধিবেশনের (Parliament Monsoon Session 2026) প্রথম দিনেই এই গুরুত্বপূর্ণ বিলটি পেশ করতে চলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

সংসদের তৈরি করা কার্যবিবরণী অনুযায়ী, সোমবারই রাজ্যসভায় ‘প্রিভেনশন অফ ইনসাল্টস টু ন্যাশনাল অনার (সংশোধনী) বিল’ পেশ করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। মূলত, পুরনো জাতীয় সম্মান রক্ষা আইনে কিছু বদল করে এই নতুন সংশোধনী আনা হচ্ছে। এর মূল উদ্দেশ্য হল, জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’ এতদিন যে ধরণের কড়া আইনি সুরক্ষা পেয়ে আসছিল, এবার থেকে ‘জাতীয় সম্মানের অবমাননা প্রতিরোধ আইন’-এর মাধ্যমে বঙ্কিমচন্দ্রের ‘বন্দেমাতরম’ গানটিকেও ঠিক একই রকম আইনি সুরক্ষার আওতায় নিয়ে আসা।

উল্লেখ্য, বর্তমান আইন অনুযায়ী জাতীয় পতাকা, দেশের সংবিধান কিংবা জাতীয় সঙ্গীতের অবমাননা করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হতে চলেছে দেশের জাতীয় স্তোত্র ‘বন্দেমাতরম’। নতুন সংশোধনী আইন পাস হলে, কেউ যদি এই গান গাওয়ার সময় কোনওভাবে বাধা সৃষ্টি করেন কিংবা বিঘ্ন ঘটান, তবে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এই অপরাধের জন্য দোষী ব্যক্তির বড় অঙ্কের জরিমানা, জেল অথবা উভয় সাজাই হতে পারে। আইনের ধারা অনুযায়ী, অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত কারাবাসের সাজা হতে পারে। শুধু তাই নয়, কোনও ব্যক্তি যদি একই অপরাধ দ্বিতীয়বার করেন, তবে তাঁর আরও অতিরিক্ত এক বছরের কারাদণ্ড হবে।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ