কলকাতা 

বিক্ষোভে উত্তাল সিইও অফিস!

শেয়ার করুন

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও)-এর দফতরের সামনে ফের উত্তেজনা। বুধবার দুপুরে সিইও অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখান এসইউসিআই-এর কর্মী-সমর্থকেরা। সিইও মনোজ আগরওয়াল যখন দফতরে ঢুকছেন, তখন তাঁর বিরুদ্ধে স্লোগান দেন সেখানে জড়‌ো হওয়া তৃণমূলপন্থী বিএলও-রা। এর ফলে দুপুরে সিইও অফিসের সামনে স্ট্র্যান্ড রোডে যানজটের সৃষ্টি হয়। থমকে যায় যান চলাচল। বাবুঘাট থেকে হাওড়া যাওয়ার পথে বাস দাঁড়িয়ে পড়ায় অনেক যাত্রীকে হেঁটে গন্তব্যে যেতে হয়।

অন্য দিকে, সিইও অফিসের আশপাশে ১৬৩ (সাবেক ১৪৪) ধারার পরিধি বিস্তার করেছে কলকাতা পুলিশ। বুধবার কলকাতার পুলিশ কমিশনার (সিপি) একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছেন, স্ট্র্যান্ড রোডের রাস্তা এবং দু’পাশের ফুটপাত-সহ এলাকায় ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে। ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে কয়লাঘাটা ক্রসিং থেকে কিরণশঙ্কর রায় রোড পর্যন্তও। আগে কেবল সিইও অফিসের সামনেই ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছিল।

Advertisement

মঙ্গলবার বেলার দিকে আচমকাই স্ট্র্যান্ড রোডে নতুন সিইও অফিসের সামনে হাজির হন তৃণমূলপন্থী বেশ কয়েক জন বিএলও। তাঁদের অভিযোগ ছিল, ব্যাগভর্তি ফর্ম ৬ (যে ফর্ম জমা দিয়ে ভোটার তালিকায় নতুন নাম তোলার আবেদন করা যায়) নিয়ে সিইও অফিসে জমা দিতে এসেছেন কয়েক জন। সেই অভিযোগকে সামনে রেখে বিক্ষোভ শুরু করেন বিএলও-রা। সিইও অফিসে ফর্ম ৬ জমা করার অভিযোগকে ঘিরে যখন তৃণমূলপন্থী বিএলও-রা বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন, তখন হঠাৎই সেখানে উপস্থিত হন বিজেপি কর্মীরা। দু’পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে। দু’পক্ষের মাঝে ব্যারিকেড দিয়ে আটকানোর চেষ্টা করা হয়। পুলিশের সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীও। সময় যত গড়ায় উত্তেজনা ততই বাড়তে থাকে। রাত অবধি উত্তেজনা ছিল ওই এলাকায়।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ