দেশ 

বিহারের উনিশ শতাংশ মুসলিম শুধু ভোট দিয়ে যাবে পাবে না কিছুই প্রশ্ন মিমের

শেয়ার করুন

বাংলার জনরব ডেস্ক : মুকেশ সাহানিকে উপমুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী করার কথা ঘোষণা করার পরেই পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছে আসাদ উদ্দিন ওয়াইসির দল এ আই এম আই এম। এই দলের পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী উপমুখ্যমন্ত্রী সবই নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নিল তাহলে উনিশ শতাংশ মুসলিমরা কি শুধু মহাজোটকে ভোট দিয়ে যাবে? পাবে না কিছুই!

বিহারে মুসলমান এবং যাদবরা বরাবর আরজেডি এবং কংগ্রেসকে ভোট দিয়ে থাকে। এটা সর্বজনবিদিত। দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ উঠছে ১৯ শতাংশ মুসলিম নিয়মিত বিরোধী জোটকে সমর্থন করলেও সে তুলনায় তাঁদের গুরুত্ব দেওয়া হয় না। টিকিট বণ্টনের ক্ষেত্রে, মন্ত্রিত্ব বণ্টনের ক্ষেত্রে, সবেতেই বঞ্চিত সংখ্যালঘুরা। এবারের নির্বাচনের আগে জল্পনা ছিল, কংগ্রেসের তরফে কোনও একজন সংখ্যালঘু মুখকে উপমুখ্যমন্ত্রীর মুখ করা হতে পারে। কিন্তু বৃহস্পতিবার মহাজোট তেমন কোনও ঘোষণা করেনি।

Advertisement

সেটাকেই এবার হাতিয়ার করতে চাইছে AIMIM। মিম নেতা ওয়ারিস পাঠানের প্রশ্ন, “একজন যাদব নেতাকে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ করা হচ্ছে। একজন সাহানিকে উপমুখ্যমন্ত্রী করা হল। তাহলে ১৯ শতাংশ মুসলিম কি শুধু ভোটই দিয়ে যাবে? তাঁদের ক্ষমতার অংশ দেওয়া হবে না?” মিমের বক্তব্য, আরজেডি এতদিন ধরে শুধু ভুল বুঝিয়ে নিজেদের মুসলিমদের ‘রক্ষাকর্তা’ বলে দাবি করে ভোট নিয়েছে। মুসলিমদের জন্য কাজের কাজ কিছুই করছে না। বিহারের জনবিন্যাস বলছে। যাদব ভোটার সংখ্যা ১৩-১৫ শতাংশ। আর সাহানি ভোটার সংখ্যা ২-৩ শতাংশ। যদিও মুকেশ সাহানি যে নিষাদদের সমর্থন পান, সেই নিষাদদের সংখ্যাটা ৯ শতাংশ। সেখানে মুসলমান সংখ্যা ১৯ শতাংশ। AIMIM-এর প্রশ্ন, ১৯ শতাংশ মুসলিম একনিষ্ঠভাবে সমর্থন করে লাভটা কী হল?

২০২০ বিধানসভায় বিহারে আচমকায় শক্তিশালী পক্ষ হিসাবে উঠে আসে AIMIM। সীমাঞ্চল এলাকায় ৫টি বিধানসভা আসনে জয়ী হয় ওয়েইসির দল। একাধিক আসনে তাঁদের প্রাপ্ত ভোটই হারজিতের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। যদিও পরে AIMIM-এর পাঁচ বিধায়কের চারজনই আরজেডিতে যোগ দেন।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ