‘চারবার ধর্ষণ করেছেন পাঁচ মাস ধরে আমাকে শারীরিক এবং মানসিকভাবে নির্যাতন করেছেন’, পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে সুইসাইড নোট লিখে আত্মঘাতী তরুণী চিকিৎসক
বাংলার জনরব ডেস্ক : পুলিশ আধিকারিকের লালসার শিকার হয়েছিলেন মহিলা চিকিৎসক । তিন পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে স্থানীয় ডিএসপিকে চিঠি লিখেছিলেন তিনি। বরং অভিযোগ জানানোর পর আরো বেশি অত্যাচার বৃদ্ধি পায়। এরপর আত্মঘাতী হন ওই চিকিৎসক।
বৃহস্পতিবার রাতে আত্মঘাতী হন ওই তরুণী। মহারাষ্ট্রের ফল্টন উপজেলা হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন তিনি। মৃত্যুর আগে তিনি নিজের বাঁ হাতে লেখেন, “আমার মৃত্যুর জন্য দায়ী পুলিশ ইনস্পেক্টর গোপাল বাদনে। আমাকে চারবার ধর্ষণ করেছেন তিনি। পাঁচ মাস ধরে আমাকে শারীরিক এবং মানসিকভাবে তিনি নির্যাতন করেছেন।” এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই অভিযুক্ত পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

চিকিৎসকের মৃত্যুর পরেই জানা যায়, স্থানীয় ডিএসপির কাছে ফল্টনের তিন পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছিলেন তিনি। প্রবল মানসিক চাপ দিয়েছেন বাদনে-সহ তিনজন পুলিশ আধিকারিক, এই মর্মে চিঠি লেখেন চিকিৎসক। সেই চিঠি দেওয়ার মাত্র মাসচারেকের মধ্যেই চরম সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসক।
গোটা ঘটনায় মহাজুটি এনডিএ সরকারকে তুলোধোনা করেছে কংগ্রেস। এক্স হ্যান্ডেলে কং নেতা বিজয় নমদেবরাও ওয়াদেত্তিওয়ার লেখেন, ‘রক্ষকই তো ভক্ষক হয়ে গেল। পুলিশের কাজ রক্ষা করা, কিন্তু তারাই তো মহিলা চিকিৎসককে নির্যাতন করেছে। আসলে মহাজুটি সরকার এইভাবে পুলিশকে ঢাল করছে, তাই পুলিশও অত্যাচার চালাচ্ছে।’ যদিও মহাজুটি সরকারের তরফে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, চার মাস আগে অভিযোগ জানিয়েছিলেন চিকিৎসক। তা সত্ত্বেও কেন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হল না? গোটা ঘটনা নিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ উগরে দিয়েছে তৃণমূলও।

