জেলা 

প্রকাশিত হলো রাহাবার পত্রিকার ঈদ ও সীরাতুন্নবী সংকলন

শেয়ার করুন

সংবাদদাতা, বাংলার জনরব: এক ভাবগম্ভীর অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রকাশ পেল ‘রাহাবার পত্রিকার ঈদ ও সীরাতুন্নবী’ সংকলন গত ১১জানুয়ারি ২০২৫ বারাসাত ইকরাম ফাউন্ডেশন ভবনে। বর্ষিয়ান সাহিত্যিক ও সমাজ সমাজ চিন্তক মুন্সী আবদুর রহীম সম্পাদিত পত্রিকাটির সমবেতভাবে আনুষ্ঠানিক প্রকাশ ঘটান আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ। আমন্ত্রিত বিশিষ্ট জনেদের মধ্যে এদিন উপস্থিত ছিলেন প্রাবন্ধিক ড. কুমারেশ চক্রবর্তী, আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সাইফুল্লা সামিম, ড. মুস্তাফা আব্দুল কাইয়ুম, হাবিবুর রহমান কাশেমী, লেখক সোনা বন্দ্যোপাধ্যায়।

হাবিবুর রহমান কাশেমীর কোরান তেলাওয়াতের মধ্যে দিয়ে শুরু হওয়া সাহিত্য সভায় জ্ঞানগর্ভ বক্তব্য রাখেন প্রদান অতিথি ড. কুমারেশ চক্রবর্তী। তিনি বলেন সাহিত্যের ভেতর দিয়ে ধর্ম নির্বিশেষে সমন্বয় সাধনের কাজ করে চলেছেন মুন্সী আবদুর রহীম। প্রসঙ্গক্রমে তিনি বলেন ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে মুসলিমদের অবদান বহুল। সেই অবদানকে মুছে দেওয়ার জন্যে একটা অশুভ শক্তি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যা কাম্য নয়।

Advertisement

অধ্যাপক ড. সাইফুল্লা বলেন বয়সের ভার কে ফুৎকারে উড়িয়ে মুন্সী আবদুর রহীম সাহেব যেভাবে এই ব্যতিক্রমী সাহিত্য পত্রিকাটি প্রকাশ করে চলেছেন তা বর্তমান প্রজন্মের কাছে নিদর্শন স্বরূপ। প্রতিবার পত্রিকার প্রতিটি লেখাই বেশ উন্নত মানের হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়।

মানবিক লেখক সোনা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন সম্প্রীতির লক্ষে আমরা বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, এস ওয়াজেদ আলী, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতোই মুন্সী আবদুর রহীম সাহেবের নামটি উচ্চারণ করতে পারি অনায়েসেই।

পত্রিকা সম্পাদক মুন্সী আবদুর রহীম সাহেব বলেন মানুষের জীবনটাই এক ধরণের ইউজ এ্যান্ড থ্রো। ইসলাম ব্যবহারিক জীবনের প্রতি পদক্ষেপের গাইডলাইন। সমাজে হিন্দু মুসলমান সবার দেহে রক্তস্রোত একইভাবে প্রবাহিত হয়। মানুষের মানবিক গুণাবলী মানুষকে চেনায়।

গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার পাশাপাশি উপস্থিত সংগীত শিল্পী, কবি, সাহিত্যিকরা সভায় নিজ নিজ গল্প,কবিতা, কথা, সংগীত পরিবেশন করেন। প্রখ্যাত লোকশিল্পী ওয়ালিউর রহমানের সংগীতের পর একে একে সাহিত্য পাঠে অংশ নেন বিশিষ্ট ব্যাক্তিত্ব এম এ জলিল, বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক সৈয়দ রেজাউল করিম, গল্পকার সেখ আব্দুল মান্নান, মহ: মফিজুল ইসলাম, এনামুল হক, হানিফ আব্দুল হানিফ বরকতি, কুতুবুদ্দিন ও খন্দকার রেহান আসফান।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ