অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দর্প চূর্ণ! ফলতাতে জমানত খোয়ালো তৃণমূল! ডায়মন্ড হারবার এবার হার-বার মডেল বললেন শুভেন্দু
বিশেষ প্রতিনিধি : অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর দর্প চূর্ণ। অহংকার এর সঙ্গে তিনি ঘোষণা করেছিলেন যে ডায়মন্ড হারবার মডেল এমন একটা মডেল যাকে পরাজিত করা যায় না যেখানে তৃণমূলই শেষ কথা বলবে। ডায়মন্ড হারবার মডেল শুধু পরাজিত নয় নোটার নিচে চলে গেল। প্রথম স্থানে বিজেপি দ্বিতীয় স্থানে সিপিএম তৃতীয় স্থানে কংগ্রেস ও চতুর্থ স্থানে তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান। ফলতা বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশিত হয়েছে আজ ২৪ শে মে। এই বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পন্ডা ১ লক্ষ ৯ হাজার ২১ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন। ভোট প্রচারের শেষ দিনে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন এক লক্ষেরও বেশি ভোটে বিজেপি প্রার্থী এখান থেকে জয়লাভ করবে। গত লোকসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকে তৃণমূল প্রার্থী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এক লক্ষ 70 হাজার ভোটের এগিয়েছিলেন।। মাত্র দু বছরের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস কার্যত ফলতা থেকে বিদায় নিল।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, দেবাংশু পাণ্ডা প্রাপ্ত ভোট ১ লক্ষ ৪৯ হাজার ৬৬৬। নিকটতম প্রার্থী সিপিএমের শম্ভুনাথ কুর্মিকে ১ লক্ষ ৯ হাজার ২১ ভোটে হারিয়েছেন তিনি। সিপিএম প্রার্থী পেয়েছেন ৪০ হাজার ৬৪৫ ভোট। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সিপিএম। তৃতীয় স্থানে রয়েছে কংগ্রেস। হাত শিবিরের প্রার্থী আবদুর রজ্জাক মোল্লা পেয়েছেন ১০ হাজার ৮৪ ভোট। চতুর্থ স্থানে তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তিনি পেয়েছেন ৭ হাজার ৭৮৩ ভোট। বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু তাঁকে হারিয়েছেন ১ লক্ষ ৪১ হাজার ৮৮৩ ভোটে।
ফলতার পুনর্নির্বাচনে তৃণমূলের স্থান চতুর্থ। দ্বিতীয় শক্তি হিসাবে উঠে এসেছে সিপিএম। পুনর্নির্বাচনের আগে জাহাঙ্গির সরে দাঁড়ানোর পর প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার তাঁদেরকে ভোট দেওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন। সেই আবেদন কাজে না আসলেও তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে কংগ্রেস।
এই পুনর্নির্বাচনের আগে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে পোস্ট করেছিলেন, ১০ জন্মেও বাংলা বিরোধী গুজরাট ‘গ্যাং’ তাঁর ডায়মন্ড হারবার মডেলেরসামান্য আঁচড় কাটতে পারবে না। এই জয়ের পর সেই হঙ্কার বিফলে গিয়েছে বলে তোপ দেগেছে বিজেপি। ডায়মন্ড হারবার মডেল তৃণমূলের হার-বার মডেলে পরিণত হয়েছে বলে পোস্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

