বিনীত গোয়েলের মামলায় কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মী বর্গ মন্ত্রককে যুক্ত করার নির্দেশ হাইকোর্টের
বিশেষ প্রতিনিধি : আর জি কর মেডিকেল কলেজের অভ্যন্তরে কর্তব্যরত তরুনী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুন করার ঘটনার পরপর কলকাতা পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল নির্যাতিতার নাম প্রকাশ্যে বলেছিলেন। আর তা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন আইনজীবী অমৃতা পান্ডে। সেই মামলা প্রথমে গ্রহণ করতে চাননি হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি। প্রধান বিচারপতির অভিমত ছিল যেহেতু বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন তাই এখনই এই মামলা নিচ্ছি না। পরে সুপ্রিম কোর্ট এই মামলায় হস্তক্ষেপ করতে না চাইলে সে বিষয়ে হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তা গ্রহণ করা হয়। পুজোর আগে এই মামলার প্রথম শুনানির দিনেই কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মী বর্গ দফতরের কাছ থেকে এ বিষয়ে হলফনামা চেয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।
সোমবার সেই মামলায় কেন্দ্রের কর্মিবর্গ ও প্রশিক্ষণ দফতরকে যুক্ত করা নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট। এই দফতরটি বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাতেই রয়েছে। যে হেতু আইপিএস বিনীত গোয়েল কেন্দ্রীয় ক্যাডারের আধিকারিক, সেই কারণেই কেন্দ্রের কর্মিবর্গ ও প্রশিক্ষণ দফতরকে মামলায় যুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।

আরজি করের নির্যাতিতার নাম প্রকাশ্যে উল্লেখ করার অভিযোগ উঠেছে প্রাক্তন পুলিশ কমিশনারের বিরুদ্ধে। এই বিষয়ে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার আর্জি নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন আইনজীবী অমৃতা পাণ্ডে। সোমবার ওই মামলায় কর্মিবর্গ ও প্রশিক্ষণ দফতরকে একটি হলফনামা জমা দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছে আদালত। জনস্বার্থ মামলাকারী অমৃতা জানিয়েছেন, কর্মিবর্গ ও প্রশিক্ষণ দফতরের অধীনে থাকা কোনও ব্যক্তি আইনভঙ্গ করলে, তাঁর বিরুদ্ধে কী ধরনের পদক্ষেপ করা যায়, সেই বিষয়ে ব্যাখ্যার জন্যই হলফনামা তলব করেছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। পুজোর ছুটির পর হাই কোর্টের কার্যক্রম চালু হলে নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে এই মামলার পরবর্তী শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

