গাজায় শিশু নারী হত্যার অভিযোগে ইসরাইলের বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদের ঝড়
বিশেষ প্রতিনিধি : গাজায় ফিলিস্তিনি জনতার উপরে নির্বিচারে ২৩ দিন ধরে বোমা বর্ষণ করে যাচ্ছে ইসরাইল আর তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উঠেছে প্রতিবাদের ঝড়। আমেরিকা ব্রিটেন রাশিয়া ফ্রান্স জার্মানি এবং ৫৭ টি আরব দেশে জনতা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদে সামিল হয়েছে।
আমেরিকার বুদ্ধিজীবী সমাজ রীতিমতো চিঠি লিখে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে বলেছেন অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে। যুদ্ধের নামে শিশু এবং নারীদের উপর অত্যাচার বন্ধ করতে হবে। ফিলিস্তিনের জনতার সঙ্গে হামাসের তফাৎ নির্ধারণ করতে হবে। আমেরিকার পাশাপাশি ব্রিটেন ফ্রান্সের জনতাও রাস্তায় নেমে প্রতিবাদে সামিল হয়েছে। এমনকি খোদ ইসরাইলের জনতা বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে। প্রতিদিন নিয়ম করে তেল আভিবের সামনে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে ইহুদীরা।


আর আরব দেশগুলিতেও চলছে জনতার বিক্ষোভ ফলে বিশ্বজুড়ে চলা এই বিক্ষোভের মাঝে চাপে পড়ছে সরকার। তাই হয়তো জাতিসংঘের অধিবেশনে গাঁজা নিয়ে আলোচনা সময় রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিব স্পষ্ট করেই বললেন যে দীর্ঘ ৭৫ বছর ধরে যে অত্যাচার চলছে ফিলিস্তিনি জনতার উপর তারই প্রতিক্রিয়ায় মাসের হামলা অবিলম্বে এই ধরনের অত্যাচার বন্ধ না হলে বিশ্বের শান্তি ফিরে আসবে না। রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব এর এইবার তার পরেও যেভাবে ইসরাইল ফিলিস্তিনিদের উপরে আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে তাতে মানবতা ধর্ষিত হচ্ছে মানবতা খুন হচ্ছে প্রতিদিন।

এদিকে সূত্রের খবর ইসরাইলে এত ক্ষুব্ধ হওয়ার কারণ যে তারা এখন হামাসের সঙ্গে এটে উঠতে পারছে না। বরং প্রতিদিনই হামাস প্রতি আক্রমণের মধ্য দিয়ে ইসরাইলকে বুঝিয়ে দিচ্ছে সাধারণ জনতাকে মারলেও এখনো পর্যন্ত হামাসের গায়ে হাত দিতে পারেনি। সংবাদ মাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে নানা ধরনের মিথ্যা প্রচার করার পরেও দেখা যাচ্ছে হামাসের আক্রমণ থেকে রেহাই পাচ্ছে না ইসরাইলের রাজধানী তেল আভিবও।

