কলকাতা 

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সংখ্যালঘু উন্নয়নে দেশের মধ্যে শ্রেষ্ঠ পঃবঃ সরকার : একেএম ফারহাদ

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব প্রতিবেদন, কলকাতা :  পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা শিক্ষার সার্বিক উন্নয়নের পাশাপাশি সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সেবায় কাজ করে যাচ্ছে সর্ব ভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস দল অনুমোদিত একমাত্র মাদ্রাসা শিক্ষক সংগঠন পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল মাদ্রাসা টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে জাতিদাঙ্গা, মহিলাদের উপর নির্যাতন,সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত হেনে চলেছে।

পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল মাদ্রাসা টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য সভাপতি একেএম ফারহাদ।

Advertisement

সর্ব ভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস সভানেত্রী তথা বাংলার জনদরদি মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সর্ব ভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ শ্রী অভিষেক বন্দোপাধ্যায়, রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী,মন্ত্রীসভার অন্যতম মুখ তথা রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক ফিরহাদ হাকিমদের মতো নেতৃত্বদের নির্দেশে সার্বিক কল্যাণে নিরলস পরিশ্রম করে চলেছে পঃবঃ তৃণমূল মাদ্রাসা টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য সভাপতি একেএম ফারহাদ।

২০১১ সালে বামফ্রন্টের পালাবদলের অনেক আগে থেকেই কঠিন লড়াই সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে তিলে তিলে কাজ করে যাওয়া মাদ্রাসা শিক্ষক সংগঠন আজ মহীরুহে পরিণত হয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষক সংগঠনের কর্মঠ, দক্ষ সভাপতি ফারহাদ মা মাটি মানুষের সরকারের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রাজ্যের উন্নয়নের ফিরিস্তি তুলে ধরে বলেন সংখ্যালঘুদের আর্থ-সামাজিক মানোন্নয়নের নিরন্তর চেষ্টা করে চলেছে। রাজ্যে সংখ্যালঘুদের মধ্যে রয়েছেন মুসলিম, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, শিখ, পারসি এবং জৈন সম্প্রদায়ের মানুষ। সাচার কমিটির সুপারিশ মতো তিন বছরে সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারা অব্যাহত।

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সামগ্রিক উন্নয়নে ইমাম ও মোয়াজ্জিনদের কল্যাণের উদ্দেশ্যে ভাতা প্রদান, নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সাইকেল প্রদান,দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীদের তরুণের স্বপ্ন প্রকল্পে দশ হাজার টাকা ছাত্রছাত্রীদের স্কলারশিপ প্রদান,জামা, জুতো, পঠনপাঠনে স্মার্ট ক্লাস আজ প্রশংসিত। তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় নতুন ভাবে বিরাজমান নিউটাউনে।২৪৩ কোটি ৮৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ২৫৪টি হোস্টেল (১৬২টি এমএসডিপি প্রকল্প এবং ৯২টি রাজ্য প্রকল্পের আওতায়) তৈরির কাজ সমাপ্ত হওয়ার পাশাপাশি নবরূপে ঐকতান হোস্টেল খুশির হাওয়া।রাজারহাট-নিউটাউনে তৃতীয় হজ ভবন নির্মাণের ফলে দেশের মধ্যে সেরা পরিষেবা প্রদান করে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ হজ্ব কমিটি।

• রাজ্যের ১২টি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জেলায় এমএসডিপি প্রকল্প চালু হয়েছে। উন্নয়নের অগ্রগতি এখনও যাঁদের কাছে পৌঁছোয়নি, তাঁদের আর্থ-সামাজিক পরিকাঠামো প্রদান এবং ন্যূনতম পরিষেবা দেওয়া এই প্রকল্পের উদ্দেশ্যে স্বার্থক হয়েছে।

সংখ্যালঘু যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানমুখী প্রযুক্তিগত ট্রেনিং-এর উদ্দেশ্যে আইটিআই ও পলিটেকনিক কলেজ গড়ে তোলা হচ্ছে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায়। এমএসডিপি প্রকল্পের পরিকাঠামোগত সহায়তায় রাজ্য সরকারের কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ বিভাগ এগুলির পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করে চলেছে।গোরস্থানগুলির রক্ষণাবেক্ষণ ও জবরদখল বন্ধ করতে এবং দূষণমুক্ত করতে বেশ কিছু উদ্দ্যোগ নেওয়া হয়েছে।গোরস্থানে সীমানা-প্রাচীর তৈরির কাজ চলছে।

মুসলিম সমাজে ইমাম ও মোয়াজ্জিনরা বিশেষ শ্রদ্ধার আসনে অবস্থান করেন। আবশ্যিক প্রার্থনা পরিচালনা করা ছাড়াও ইমাম ও মোয়াজ্জিনরা সংখ্যালঘু সমাজকে শৃঙ্খলাবদ্ধ আচার-আচরণ ও জীবনযাপনের পথ দেখান। স্বাস্থ্য ও শৌচ-সহ সরকারের নানা প্রকল্পের কথা তাঁদের সমাজে তুলে ধরতে তাঁরা বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। ওয়াকফ বোর্ডের মাধ্যমে প্রতিমাসে ইমামদের কল্যাণের উদ্দেশ্যে ২৫০০ টাকা ও মোয়াজ্জিনদের ১০০০ টাকা করে সম্মানদক্ষিণা দেওয়া হচ্ছে। আগষ্ট মাসে নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ইমাম মোয়াজ্জিন সমাবেশ থেকে ৫০০ টাকা বৃদ্ধি ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।

সংখ্যালঘু ছাত্রীদের শিক্ষার বিষয়ে উৎসাহ দিতে এবং তাঁদের মধ্যে স্কুল ছুটের হার কমাতে (পরিবার সংস্কার সহ) ২০১২-১৩ সালে রাজ্য সরকার এই প্রকল্প নিয়েছে। নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির সংখ্যালঘু ছাত্রীদের মধ্যে ২ লক্ষ ৯ হাজার ১২১ জনকে সাইকেল প্রদান করা হয়েছে শুরু হয়েছিল এখনো পর্যন্ত বাংলার ছাত্রছাত্রীরা পাচ্ছে।মুসলিম কর্মীদের বেশিরভাগই স্বনিযুক্তি কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত থাকেন, তাঁদের বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ ও ঋণ সংক্রান্ত উদ্যোগ ভীষণ প্রয়োজন। এই বিষয়টির কথা মাথায় রেখে এই বিভাগ সংখ্যালঘু যুবক-যুবতীদের বিশেষ প্রশিক্ষণের কাজ চলছে।

পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও বিত্ত নিগম, ওয়াকফ বোর্ড, আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও উর্দু আকাদেমির সঙ্গে একযোগে পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যালঘু জনসাধারণের আশা-আকাঙ্খা পূরণ করতে সমর্থ হয়েছে। গত ৩ বছরে সংখ্যালঘু ছাত্র-ছাত্রীদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের হার ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে মা মাটি মানুষের সরকারের আমলে।

পশ্চিমবঙ্গের ৬১৪ টি মাদ্রাসার সার্বিক পরিস্থিতি উন্নয়নে রাজ্য সরকারের কর্মসূচি সুদূরপ্রসারী। পাশাপাশি এম এস কে,আন এ ডেড মাদ্রাসাগুলোতে পরিকাঠামোর উন্নয়ন, শিক্ষকদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা সহ ছাত্র ছাত্রীদের সব রকমের প্রয়াস চলছে। রাজ্য সরকারের উন্নয়নমুখী কর্মসূচি কে সামনে রেখে আগামী লোকসভা নির্বাচনে বাংলার ৪২ টি আসন মমতা ব্যানার্জি ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে জয়লাভ করবে বলে জানায় মাদ্রাসা টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য সভাপতি তথা উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদের সদস্য একেএম ফারহাদ।


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ