কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন নির্বাচন কমিশনের, আগামীকাল শুনানি
বাংলার জনরব ডেস্ক : সোমবার কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিষয়ে শীর্ষ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করল রাজ্য নির্বাচন কমিশন।গত শনিবারই সুপ্রিম কোর্টে অন লাইনে এসএলপি দাখিল করেছিল কমিশন ও রাজ্য। আগামিকাল, অর্থাৎ, মঙ্গলবার দুই আবেদনেরই শুনানির সম্ভাবনা।
সূত্রের খবর, সেই আবেদন শুনতে রাজিও হয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আগামিকাল, অর্থাৎ, মঙ্গলবার কমিশন ও রাজ্যের আর্জির শুনানির সম্ভাবনা।বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি এম এম সুন্দরেশের বেঞ্চে শুনানি হবে বলে জানা গিয়েছে৷ অন্যদিকে, এদিনও ফের হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিন কমিশনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তাঁর আইনজীবী।
৪৮ ঘণ্টা পরেও হাইকোর্টের রায় মেনে কেন কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়নি, তা নিয়ে মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চের। বুধবার সেই আবেদনের শুনানি সম্ভাবনা।
এদিন হাইকোর্টে শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবী শ্রীজীব চক্রবর্তী সওয়াল করেন, ‘‘ সুপ্রিম কোর্টে আজও কমিশন ও রাজ্যের এসএলপি নিয়ে কোনও পদক্ষেপ নেই। আজ দৃস্টি আকর্ষণ করা হয়নি। ৩ হাইকোর্টের মামলাকারী ক্যাভিয়েট দাখিল করেছে। রাজ্য ও কমিশন করা এসএলপি নিয়ে কোনও নোটিস দেওয় হয়নি। আদালত অবমাননার মামলা হাইকোর্টে হতে কোনও আইনি বাধা নেই।’’
সব শুনে প্রধান বিচারপতি টি এস শিবাজ্ঞনম বলেন, ‘‘সংবাদমাধ্যমে দেখেছি সুপ্রিম কোর্টে গেছে কমিশন ও রাজ্য। অযথা আদালতের উপর মামলা দায়েরের জন্য চাপ তৈরি করবেন না। মামলা দায়ের করে বুধবার আসুন।’’
পাশাপাশি, কংগ্রেস নেতা আবু হাশেম খান চৌধুরীর আইনজীবীও প্রধান বিচারপতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। ১৩ জুন ভিডিওগ্রাফির নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন তা মানছে না। এই নিয়ে ডিভিশন বেঞ্চের কাছে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের অনুমতি চেয়েছেন তিনি। মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চ।
গত ১৫ জুনের রায়ে কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়েছিল, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কোথায়, কত কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে, তা নিয়ে আলোচনা করে নির্দিষ্ট করবে কমিশন।আর সেই সিদ্ধান্ত নিয়েই ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে।

