কলকাতা 

আগামী শিক্ষাবর্ষেই রাজ্যের বিদ্যালয়গুলি নতুন শিক্ষক পাবে, পুজোর আগেই একাদশ-দ্বাদশে শিক্ষক নিয়োগ, পুজোর পরেই নবম-দশমে ও উচ্চ-প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের সম্ভাবনা

শেয়ার করুন
  • 37
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব প্রতিনিধি : মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে দ্রূত এবং স্বচ্ছভাবে শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করতে চলেছে স্কুল সার্ভিস কমিশন । জানা গেছে, স্কুল সার্ভিস কমিশনের নতুন চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেওয়ার পর ড. শর্মিলা মিত্র শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা ও আইনী প্রক্রিয়া মেনে করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। উল্লেখ্য, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনেক ফাঁক-ফোকর থেকে যাওয়ায় মামলা হয়ে যাচ্ছে ফলে লিখিত পরীক্ষার ফল বের করা সত্ত্বে ইন্টারভিউ বা কাউন্সিলিং প্রক্রিয়া চালু করার ক্ষেত্রে নানা আইনী জটিলতা তৈরি হচ্ছে। যেমন, গত মাসে একাদশ-দ্বাদশের কাউন্সিলিং প্রক্রিয়ার বিঞ্জপ্তি জারি করার পর সেই বিঞ্জপ্তির বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা করা হয় । ফলে নির্দিষ্ট সময়ে একাদশ- দ্বাদশে কাউন্সিলিং শুরু করা যায়নি। আইন মতে, সম্পূর্ণ মেধা তালিকা প্রকাশ না করে কাউন্সিলিং করা যায় না । কিন্ত একাদশ-দ্বাদশের শিক্ষক নিয়োগের প্রথম বিঞ্জপ্তিতে আইনের এই সুনির্দিষ্ট পন্থা অবলম্বন করা হয়নি। ফলে কাউন্সিলিং পিছিয়ে গিয়েছিল।

গত ১২ জুলাই স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান পদে নিযুক্ত হওয়ার পর নতুন আঙ্গিকে স্কুল সার্ভিস কমিশনের শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে । ইতিমধ্যেই হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে একাদশ-দ্বাদশের মেধা তালিকা প্রকাশ করে কাউন্সিলিং শুরু করে দেয় কমিশন । একাদশ-দ্বাদশের কাউন্সিলিং-র প্রথম পর্যায় শেষ হয়ে গেছে । জানা গেছে, নবম-দশম শ্রেনির শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত মেধা তালিকা প্রকাশ করার উদ্যোগ নিয়েছে কমিশন । মেধা তালিকা কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে । বিশেষ সূত্রে জানা গেছে, এই মেধা্ তালিকায় এবার প্রার্থীর প্রাপ্ত নম্বর দেওয়া থাকবে ।

নবম-দশম শ্রেনির চূড়ান্ত মেধা তালিকা প্রকাশ করার পরই কাউন্সিলিং শুরু করা হবে। তবে এ কথা ঠিক পুজোর আগে একাদশ-দ্বাদশের নিয়োগ পত্র দেওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও পুজোর আগে কোনভাবেই নবম-দশম বা উচ্চ-প্রাথমিকের নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হবে না। তবে সার্ভিস কমিশন সূত্রে জানা গেছে সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যে নবম-দশমের চূড়ান্ত মেধা তালিকা প্রকাশ হতে পারে । এরপরেই শুরু হবে কাউন্সিলিং।

তবে একথা ঠিক প্রায় ৫ বছর ধরে স্কুল সার্ভিস কমিশন শিক্ষক নিয়োগ করতে পারেনি । ফলে শূণ্যপদের সংখ্যা কয়েকগুণ বেড়েছে। যদিও এমপ্যানেল্ড শিক্ষকরা রাস্তায় নেমে আন্দোলনে সামিল হয়েছে ,শূণ্যপদ বাড়ানোর দাবিতে । তাদের দাবি সরকার মানবে কিনা তা এখনও জানা যায়নি। তবে তাদের আন্দোলনের চাপেই শেষ পর্যন্ত শিক্ষক নিয়োগ হতে চলেছে এ নিয়ে কোন সন্দেহ নেই । আগামী ২০১৯-র শিক্ষা বর্ষ থেকে রাজ্যের বিদ্যালয়গুলি যে নতুন শিক্ষক পেতে চলেছে তা বলাই বাহুল্য মাত্র।

 

 

 

 

 


শেয়ার করুন
  • 37
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment