জেলা 

ভাটপাড়া পুরসভায় ১৯-০ তে জয়ী তৃণমূল, অনাস্থা প্রস্তাবে অংশ না নিয়ে বিজেপি গেল সুপ্রিম কোর্টে

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক :  কলকাতা হাইকোর্টে বিজেপি গিয়ে বলেছিল তারা ভাটপাড়ায় ক্ষমতায় আছে । জোর করে বেআইনিভাবে তৃণমূল কংগ্রেস প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে ভাটপাড়া পুরসভা দখল নিয়েছে । তাই আদালত আগের অনাস্থা প্রস্তাবকে বাতিল করে নতুন করে অনাস্থা প্রস্তাব আনার নির্দেশ দিয়েছিল । সেই মত আজ মঙ্গলবার  ভাটপাড়া পুরসভায় অনাস্থা প্রস্তাবের উপর ভোটাভুটি হয় । দেখা গেল ১৯-০ ভোটে তৃণমূল কংগ্রেস ভাটপাড়া পুরসভায় জয়ী হয়েছে ।

মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসকের চৈতালী চক্রবর্তীর তত্ত্ববধানে পুরসভার আস্থাভোট হয়। এ দিন ভোটাভুটি শুরুর আগে থেকেই সর্তকতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে পুরভবন এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। পাশাপাশি, কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নামানো হয় র‌্যাফ। তবে বিজেপি কাউন্সিলরেরা এ দিনের আস্থাভোটে অংশ নেননি।

ডিভিশন বেঞ্চের ওই নির্দেশে স্বাভাবিক ভাবেই উল্লসিত তৃণমূল শিবির। বিজেপি অবশ্য হাল ছাড়ছে না। মঙ্গলবারই তারা সুপ্রিম কোর্টে আপিল করবে বলে আগেই জানিয়েছিলেন ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংহ। এ দিন ভাটপাড়া পুনর্দখলের পরে বিজেপি সাংসদ অজুর্ন সিংহকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি উত্তর ২৪ পরগনা জেলা তৃণমূলের অন্যতম শীর্ষ নেতা তথা নৈহাটির বিধায়ক পার্থ ভৌমিক। বিজেপি সাংসদকে কটাক্ষ করে পার্থর মন্তব্য, ‘‘ওঁকে বলব, গণদেবতার উপরে একটু আস্থা রাখুন। এত বার এত রকম আদালতে ছুটবেন না।’’ এই ফলাফলের পর পার্থবাবু আরও বলেছেন, ‘‘আমরা আগের দিনও ১৯ জন কাউন্সিলরের সমর্থনই পেয়েছিলাম। আজও ১৯ জনের সমর্থনই পেয়েছি। কারণ, আমরা কাউকে জোর করে তৃণমূল বানাইনি। ওঁরা তৃণমূলেই ছিলেন, তৃণমূলেই আস্থা রেখেছেন।’’ অন্য দিকে, প্রতিশ্রুতি মতোই সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছেন অর্জুন সিংহ। এ নিয়ে তিনি বলেছেন, ‘‘ভাটপাড়া নিয়ে আমরা সুপ্রিম কোর্টে এসেছি। সেই কারণেই দলের কোনও কাউন্সিলর এ দিনের ভোটাভুটিতে যাননি।’’

ভাটপাড়া ফের নিজেদের হাতে রাখার বিষয়ে শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ছিল তৃণমূল। উত্তর ২৪ পরগনা জেলা তৃণমূলের সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বরাবরই দাবি করে এসেছিলেন ভাটপাড়ায় সব কাউন্সিলরই তাঁদের পক্ষে ভোট দেবেন। এ দিন দেখা গেল, জ্যোতিপ্রিয়র সে কথাই একেবারে মিলে গিয়েছে।

 


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment