দেশ 

প্রার্থী হবেন না বলে জানিয়ে দিয়ে মোদী-শাহদের অস্বস্তিতে ফেললেন বিদায়ী লোকসভার অধ্যক্ষা ; যোশী-আদবানীদের প্রতি সম্মান জানাতেই কী এই অবস্থান ?

শেয়ার করুন
  • 33
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : বিজেপির প্রতিষ্ঠাতা মুরলী মনোহর যোশীর ক্ষোভের রেশ কাটতে না কাটতেই অমিত শাহ ও মোদীকে গণতন্ত্রের পাঠ শেখালেন এল কে আদবানী । আর আদবানীর গণতন্ত্রের পাঠ নিয়ে দেশজুড়ে যখন আলোচনা চলছে ঠিক সেই সময় আবার এক প্রত্যাঘাত এল বিজেপির কাছে । এবার মুখ খুললেন ইন্দোরের আট বারের সাংসদ বিদায়ী লোকসভার স্পীকার সুমিত্রা মহাজন।

এক খোলঅ চিঠি দিয়ে দলকে  জানিয়ে দিলেন, তিনি আর ভোটে লড়তে চান না। দলের নেতাদের দ্বিধা কাটাতেই যে তিনি নিজের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলেন, তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের সাংসদ।

১৯৮৯ সালে কংগ্রেসের প্রকাশচন্দ্র শেঠিকে হারিয়ে লোকসভায় প্রথমবার সংসদে প্রবেশ করেছিলেন সুমিত্রা মহাজন। তার পর টানা আটবার তিনি ইন্দোর থেকে জিতেছেন। ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার লোকসভার অধ্যক্ষাও হন।

বিজেপির নেতৃত্ব সিদ্ধান্ত নেয় ৭৫ বছরের বেশি বয়সের নেতাদের আর প্রার্থী করা হবে না। সেই ফর্মুলা মেনে ইতিমধ্যেই বাদ পড়েছেন লালকৃষ্ণ আডবাণী ও মুরলী মনোহর যোশী।

সুমিত্রা মহাজনের বয়স এখন ৭৬। ফলে তাঁর নামও বাদ যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছিল। কিন্তু সুমিত্রা মহাজনের বক্তব্য, তাঁর দল বিজেপি সম্ভবত ইন্দোরের প্রার্থী বাছাই নিয়ে দ্বিধায় রয়েছে। অথচ আগেই এ বিষয়ে দলের অন্দরে আলোচনা হয়েছিল। সিদ্ধান্তের ভার তিনি দলের নেতাদের উপর ছেড়ে দিয়েছিলেন বলে ওই বিবৃতিতে তিনি দাবি করেছেন।

তিনি লিখেছেন, বিজেপির নেতাদের সেই দ্বিধা তিনি কাটাতে চান। সেই কারণেই তিনি ইন্দোর আসন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর পর দল দ্বিধাহীন ভাবে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংসদের সবচেয়ে বয়স্ক মহিলা সাংসদ।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রকাশ্যে আসে লালকৃষ্ণ আডবাণীর ব্লগ। সেখানে তিনি দলের কথা লিখেছেন। বিজেপির বিরোধী মানেই তারা দেশদ্রোহী নয়, এমন মন্তব্যও করেছেন বিজেপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।

সেই রেশ কাটার আগে সুমিত্রা মহাজনের বিবৃতি সামনে এল। যা রীতিমতো অস্বস্তিতে ফেলে দিল নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহকে।


শেয়ার করুন
  • 33
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment