জেলা 

অসমে রাজমিস্ত্রীর কাজ করতে গিয়ে দুস্কৃতিদের হাতে খুন হওয়া পাঁশকুড়ার দুই শ্রমিকের বাড়িতে গিয়ে আর্থিক সাহায্য করে অসমের বিজেপি সরকারকে তোপ শুভেন্দুর

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলার জনরব ডেস্ক : আজ অসমে দুস্কৃতিদের হাতে নিহত ইদ্রিশের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মৃতের পরিবারকে সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। শুভেন্দুবাবুর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন শহিদ মাতঙ্গিনী পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি দিবাকর জানা, পাঁশকুড়া পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি কুরবান শাহ,পাঁশকুড়া পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সইদুল ইসলাম, তৃণমূল নেতা জইদুল ইসলাম সহ অন্যরা।

ইদ্রিশের বাড়ি গিয়ে পরিবারের হাতে ২ লাখ টাকা তুলে দেন শুভেন্দুবাবু। এরপর তিনি বলেন, “আমরা প্রথম দিন থেকেই খুন হওয়া দুই শ্রমিকের পরিবারের পাশে আছি। অসমে এনআরসি নিয়ে যে ঘৃণার সঞ্চার হয়েছে তার জেরেই এই ঘটনা। আমরা সবাই ভারতীয়। অসমও ভারতবর্ষের মধ্যে। অসমে যেতে গেলে তো আর ভিসা লাগে না। সেখানকার ঘৃণার পরিবেশের বলি হয়েছে পাঁশকুড়ার দুই গরিব মানুষ।

আমরা মৃতের পরিবারকে পাঁশকুড়া থানায় এফআইআর করতে বলেছি। ওখানে (অসমে) পুলিশ গট আপ গেম খেলছে যাতে বাংলা থেকে কেউ এই ঘটনাকে ইস্যু করতে না পারে। পুলিস ওখানে একজনকে দিয়ে অভিযোগ করিয়েছে। খুন করার আগে ওরা জানতে চেয়েছিল, কোথাকার লোক ও কী নাম? বাঙালি ও সংখ্যালঘু জানার পরই এই ঘটনা। একইভাবে মালদার কালিয়াচকের বাসিন্দা আফরাজ়ুলকে জয়পুরে খুন করা হয়েছিল। অসম পুলিশ আগে ভাগে কেসটাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। মৃতের স্ত্রীকে বিধবা ভাতা দেওয়া ছাড়াও বাড়ি তৈরি সহ অন্যান্য সুবিধা দেওয়া হবে। মানবাধিকার কমিশন ও মাইনরিটি কমিশনেও অভিযোগ জানানো হবে।”

৯ ফেব্রুয়ারি অসমের দুমদুমায় খুন হন শেখ ইদ্রিশ ও শেখ মহম্মদ। এই হামলায় আরও দুজন জখম হন। পরিবারের অভিযোগ, বাঙালি হওয়ার কারণেই তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়। তারা দীর্ঘদিন ধরে অসমের তিনসুকিয়া জেলায় রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। ওই ঘটনায় জখম হয়েছিলেন শেখ মুস্তাকিন ওরফে সনু। তিনি অবশ্য পাঁশকুড়ায় ফিরে দাবি করেছেন, এই খুনের সঙ্গে বাঙালি বিদ্বেষের কোনও সম্পর্ক নেই। যে খুন করেছে সেও ইদ্রিশদের সঙ্গে কাজ করত।”


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Comment