ভ্রাতৃ বন্ধনে আবদ্ধ হলো রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী
স্মৃতি সামন্ত ; পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে দক্ষিণ কলকাতার নজরুল মঞ্চে রাখী বন্ধন উৎসব পালন করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী এই অনুষ্ঠানের সূচনা করেন। আয়োজক – যুবকল্যাণ ও ক্রীড়া বিভাগের দায়িত্বপাত্র মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খানের সহযোগিতায় – তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর। উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, মন্ত্রী তাপস রায় ও মন্ত্রী পূর্ণিমা চক্রবর্তী, বিধায়ক রত্না দেবনাথ, মুখ্যসচিব মনোজ কুমার আগরওয়াল, তথ্য ও সংস্কৃতি সচিব ড. সৌমিত্র মোহন। প্রাক্তন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় থেকে শুরু করে প্রায় প্রত্যেকে একে অপরের হাতে রাখি বাঁধেন।
প্রারম্ভিক পর্বে – তাদের প্রত্যেককে উত্তরীয় দিয়ে বরণ করে সম্মান জ্ঞাপন করা হয়েছে। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের সচিব ড. সৌমিত্র মোহন, সমাজসেবী লকেট চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত ভাষণ দেন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খান। মুখ্য সচিব মনোজ কুমার আগরওয়াল এদিন জানানো হয়েছে যে – “এই রাজ্যের মোট ৩৩৪৬ টি গ্রাম, ১২১ টি ব্লক ও ‘৬০ টি পুরসভার মধ্যে একযোগেই চলছে কর্মসূচি পালন। মন্ত্রী পূর্ণিমা চক্রবর্তী এই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন যে, – ” বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চলছে ধারাবাহিক কর্মসূচি।” বন্ধনে আবদ্ধ হলো রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।
আগামীদিনে এই রাজ্যের প্রতিটি স্কুল ও কলেজে ন্যাশনাল ক্যাডেট কর্পস অর্থাৎ এন সি সি শীঘ্রই চালু করা হবে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শুক্রবার নজরুল মঞ্চে এই মন্তব্য করেছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন যে, – শৃঙ্খলা পরায়ন জীবন দরকার। বিগত সরকারের আমলে এন সি সি চালু করে নি। পরিবর্তে জয়হিন্দ বাহিনী চালু করে। এই প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল যে – ” বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকায় সমস্ত স্কুলগুলিতেও পড়ুয়াদের মধ্যেই অবিলম্বে তা চালু করার প্রস্তাব রয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের জীবনে যা নিয়মানুবর্তিতার জন্য প্রয়োজন।
ওই ব্যাপারে এক প্রস্থ আলোচনা করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যেই এ নিয়ে চর্চা হয়েছে। অকপটেই এদিন সভায় তা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং।

