মধ্যরাতে মন কি বাত না বলে মোদির উচিত শিক্ষা মন্ত্রীকে বরখাস্ত করা দাবি কংগ্রেসের
মধ্যরাতে ভিডিয়োবার্তা দিয়ে নিট-কাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত অপরাধীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর সেই মধ্যরাতের বার্তাকে কটাক্ষ করল কংগ্রেস। মোদীর রেডিও অনুষ্ঠান ‘মন কি বাত’-এর প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করেছে তারা। কংগ্রেসের তরফে বলা হয়েছে, মধ্যরাতে ‘মন কি বাত’ না-বলে সংসদে এসে বিবৃতি দিন মোদী। তবে সংসদে এই বিষয়ে আলোচনার আগে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবি তুলেছে তারা।
নিট-কাণ্ড নিয়ে শুক্রবারও সরগরম ছিল সংসদ। দফায় দফায় অধিবেশন মুলতুবি হয় সংসদের দুই কক্ষেই। পরে সারা দিনের জন্য লোকসভা এবং রাজ্যসভার অধিবেশন মুলতুবি করে দেওয়া হয়। সংসদ চত্বরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে বিক্ষোভ দেখান বিরোধী সাংসদেরা। লোকসভার ভিতরেও ধর্মেন্দ্রর ইস্তফার দাবিতে স্লোগান দেন তাঁরা।
বৃহস্পতিবার রাতে মোদীর ভিডিয়োবার্তার পর সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গাঁধী। সেখানে তিনি লেখেন, “মাননীয় মোদী, আমাদের ছাত্ররা ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা দাবি করছেন। আপনার মধ্যরাতের করুণ ভিডিয়ো দিয়ে তাঁদের বুদ্ধিমত্তাকে অপমান করবেন না।” তার পরেই প্রধানমন্ত্রীকে তিন দাবির কথা স্মরণ করিয়ে দেন রাহুল। সেগুলি হল ১) ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা, ২) পড়ুয়াদের মারধরের ঘটনায় অভিযুক্তদের শাস্তি, ৩) পড়ুয়াদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা।
মোদীকে নিশানা করেন কংগ্রেস সভাপতি তথা রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খড়্গেও। তাঁর বক্তব্য, একপাক্ষিক ভাবে ‘মনের কথা’ না-বলে লোকসভার অধিবেশনে যোগ দিয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরুন প্রধানমন্ত্রী। মোদীকে শর্তের কথা স্মরণ করিয়ে খড়্গে সমাজমাধ্যমে লেখেন, “ধর্মেন্দ্র প্রধানকে বরখাস্ত করে আজ সংসদে আসুন।” রাহুলের তিন দাবির কথা পুনরুচ্চারণ করে খড়্গের সংযোজন, “(প্রধানমন্ত্রী) যদি এই দাবিগুলি মেনে নেন, তা হলে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে সবিস্তার আলোচনায় রাজি।

