কলকাতা 

শেষ পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে গেল? ঋতব্রতের সঙ্গে ৬০ জন বিধায়ক!

শেয়ার করুন

তৃণমূল কি ভেঙে ‘চুরমার’ হচ্ছে? এই প্রশ্ন জোরালো হওয়ার মধ্যেই বুধবার ৫৯ জন তৃণমূল বিধায়কের সমর্থনের চিঠি নিয়ে বিধানসভায় হাজির হলেন দলের বিক্ষুব্ধ বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের অন্য বিধায়কেরাও এক এক করে বিধানসভায় হাজির হচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন, অরূপ রায়, শিউলি সাহা এবং আখরুজ্জামান। এ ছাড়াও বিধানসভায় পৌঁছেছেন বিধায়ক সন্দীপন সাহা, সাবিনা ইয়াসমিন, চন্দ্রনাথ সিংহ, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ দলের অনেক বিধায়ক। সাবিনা বলেন, ‘‘আজকে আমরা বিরোধী দলনেতা সিলেক্ট করার জন্য মিটিং করব।’’ কে ডেকেছে মিটিং? তাঁর জবাব, ‘‘আমরা সবাই।’’ বিধানসভায় ঢোকার আগে চন্দ্রনাথ বলেন, ‘‘বিরোধী দলনেতা হিসাবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে মেনে নিয়েছি।’’ বিধায়ক সন্দীপন সাহা আবার দাবি করেছেন, দুই-তৃতীয়াংশ বিধায়ক তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন। বিধায়কদের অনেকে সরাসরি মুখ খুলছেন। অনেকে আবার বিষয়টিকে এড়িয়েও যাচ্ছেন। ইতিমধ্যেই বিধানসভার নৌসার আলি কক্ষে বিদ্রোহী বিধায়কেরা বৈঠকে বসেছেন।

তৃণমূল কার দখলে যাবে, এ নিয়ে শুরু হয়েছে টানাপড়েন। বর্ষীয়ান বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে অবিলম্বে বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়ার দাবি জানিয়ে মঙ্গলবার বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুকে চিঠি পাঠান তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। স্পিকার কলকাতায় নেই বলে সেই চিঠি অবশ্য বিধানসভায় গ্রহণ করা হয়নি। পাশাপাশি, বিদ্রোহী শিবির দাবি করে, তারা ৫২ থেকে ৫৫ জন বিধায়কের তালিকা সংবলিত চিঠি স্পিকারের কাছে দিয়ে প্রকৃত বিরোধী দলের মর্যাদা দাবি করবে! আর সেই দাবিমতোই বুধবার সকালে হাজির হয়েছে তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির। এখন দেখার, দলের রাশ কি তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে থাকে, না কি বিদ্রোহী শিবিরের হাতে যায়।

 


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ