কলকাতা 

নির্বাচন কমিশন ভোট কর্মীদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে বলে অভিযোগ

শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিনিধি : রাজ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে দুই দফায় নির্বাচন। আরে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আপাতকালীন অবস্থা জারি করে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সরকারি কর্মচারীদের নির্বাচনের দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। এবং গাল ভরা প্রতিশ্রুতি দিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার থেকে শুরু করে রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল এবং তার দোসর সুব্রত গুপ্ত নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে গেছেন। ভোট কর্মী হিসাব প্রিসাইডিং অফিসাররা কত টাকা পাবেন তাদের খাওয়া-দাওয়ার অবস্থা কি হবে? ফার্স্ট পোলিং অফিসার কত টাকা পাবেন? সেকেন্ড পোলিং ও থার্ড পোলিং কত টাকা পাবে? তার বিস্তারিত বিবরণ বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্তু আদৌ কি এই রাজ্যের ভোট কর্মীরা সবাই এই টাকা পেয়েছে।

নিয়ম অনুযায়ী ট্রেনিংয়ে গেলে তাদের জন্য টাকা বরাদ্দ করা হয় এবং সেই টাকা ভোট গ্রহণের আগেই দিয়ে দিতে হয় প্রত্যেকের ট্রেনিংয়ে যাওয়া কর্মীদের। কিন্তু যাদেরকে রিজার্ভে রাখা হয়েছিল তাদের অধিকাংশকে দেওয়া হয়নি। এমনকি  ভোট দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হয়নি। ভোট কর্মীদের গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করার অধিকার কে জ্ঞ্যানেশ কুমারের রয়েছে! ভারতের সংবিধান কিংবা জনপ্রতিনিধি আইন কি বলেছে জ্ঞানেশ কুমারকে যে ভোটটাধিকার থেকে ভোট কর্মীদের বঞ্চিত করতে হবে।! তাহলে যেসব ভোট কর্মীকে আপাতকালীন ব্যবস্থা জারি করে হঠাৎ করে রাতের বেলা ডেকে পাঠিয়ে দিনের বেলা ডিউটি দেওয়া হল তাদের ভোটের ব্যবস্থা করা হলো না কেন? নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার সংবিধানের প্রতি সামান্যতম মর্যাদাবোধ তার নেই। যদি থাকত তাহলে প্রত্যেকটা ভোট কর্মীর ভোটাধিকার কে সুরক্ষিত করত এবং তাদেরকে নির্দিষ্ট ভাতা প্রদানের ব্যবস্থা করত। তা করা হয়নি।

Advertisement

প্রকৃত অর্থে এই রাজ্যে কয়েক লক্ষ ভোট কর্মীর সঙ্গে প্রতারণা করেছেন জ্ঞানেশ কুমার এবং মনোজ আগরওয়াল লাভ এদের বিরুদ্ধে যদি নরেন্দ্র মোদীর মধ্যে সামান্যতম সততা থাকে তাহলে অবশ্যই তদন্ত তিনি করবেন। নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে বাংলার জনরব এর  কাছে জানতে চাইলে নানা তথ্য দিয়ে আমরা সাহায্য করতে পারি।

শুধু তাই নয় ভোট কর্মীদের রাখার জন্য তেমন ব্যবস্থা করা হয়নি এবং তাদের খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়নি উপরন্ত ভোটের দিন প্রায় 200 মিটার ধরে যেভাবে সমস্ত দোকান বাজারকে বন্ধ করে দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল তা এক কথায় অন্যায় এবং সৌজন্য বিরোধী। নির্বাচন কমিশনের এই ধরনের কাজকর্মে ক্ষুব্ধ হয়েছে এ রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা। তাদের দাবি আমরা মেহনত করে একটি ভোট গ্রহণ করে থাকি এবং তার সময়মতো জমা দিয়ে থাকি তারপরেও আমাদের প্রতি নির্বাচন কমিশন সদয় হয় না ভাতা থেকে শুরু করে নানাভাবে বঞ্চিত করেছে নির্বাচন কমিশন।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত নিবন্ধ