নির্বিঘ্নেই শেষ হলো এসএসসির নবম দশম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা!
বিশেষ প্রতিনিধি : রবিবার বেলা বারোটা থেকে দেড়টায় স্কুল সার্ভিস কমিশনের নবম দশম শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নির্বিঘ্নেই শেষ হয়েছে। দুপুর ১২টায় রাজ্যের ৬৩৬টি কেন্দ্রে পরীক্ষা শুরু হয়েছিল। দেড়টায় পরীক্ষা শেষ হল। অবশ্য বিশেষ ভাবে সক্ষমেরা আধ ঘণ্টা বেশি সময় পাবেন। তাঁদের পরীক্ষা শেষ হয় দুপুর ২টোয়। এখনও পর্যন্ত পরীক্ষা সংক্রান্ত কোনও গোলযোগের খবর নেই।
২০১৬ সালের এসএসসির পরীক্ষায় ওএমআর শিট (উত্তরপত্র) কারচুপির ঘটনা ঘটেছিল। তাই এ বার ওএমআর নিয়ে বাড়তি সতর্কতা জারি করেছিল কমিশন। নতুন নিয়োগ বিধি অনুযায়ী, পরীক্ষার্থীরা ওএমআরের কার্বন কপি সঙ্গে করে বাড়ি নিয়ে যেতে পারবেন। সেই মতো ওএমআরের কার্বন কপি সঙ্গে নিয়ে বেরোন পরীক্ষার্থীরা। নিয়োগ বিধি অনুযায়ী, প্যানেল এবং ওয়েটিং লিস্টের মেয়াদ থাকবে নিয়োগের প্রথম কাউন্সেলিংয়ের পরে এক বছর পর্যন্ত। তবে রাজ্য সরকারের আগাম অনুমতি নিয়ে তার মেয়াদ আরও ছ’মাস বৃদ্ধি করতে পারবে কমিশন। বিধিতে এ-ও বলা হয়েছে, প্যানেলের মেয়াদ শেষের পরে দু’বছর ওএমআর শিট সংরক্ষণ করা হবে। ওএমআর শিটের স্ক্যান করা প্রতিলিপি প্যানেলের মেয়াদ শেষের ১০ বছর পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকবে।

রবিবার নবম-দশমে নিয়োগের পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৩,১৯,৯১৯। মোট পরীক্ষাকেন্দ্র ৬৩৬। পরের রবিবার, অর্থাৎ ১৪ সেপ্টেম্বর একাদশ-দ্বাদশে নিয়োগের পরীক্ষা। তাতে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২,৪৬,৫০০। মোট পরীক্ষাকেন্দ্র ৪৭৮। এসএসসি আগেই জানিয়েছিল, ২০১৬ সালে যাঁরা চাকরি পেয়েছিলেন, তাঁদের প্রায় সকলেই আবার আবেদন করেছেন। গত বারের চেয়ে এ বার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা অন্তত আড়াই লক্ষ বেশি।
২০১৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা ঘিরে বিস্তর দুর্নীতি এবং অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। তাতে স্বাভাবিক ভাবে মুখ পুড়েছিল কমিশন এবং রাজ্য সরকারের। সুপ্রিম কোর্টেও ২০১৬ সালের প্যানেল বাতিল হয়ে গিয়েছে। তাতে চাকরি খুইয়েছেন প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মী। শীর্ষ আদালতেরই নির্দেশে সেই পরীক্ষাই আবার নতুন করে হল।

