মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির পক্ষে প্রধান বাধা ইসরাইল, ট্রাম্প চাইলে শান্তি আনতে পারেন, না হলে যুদ্ধই শেষ অস্ত্র জানিয়ে দিল ইরান
বাংলার জনরব ডেস্ক : ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি মনে করেন, মধ্যপ্রাচ্য এলাকায় আমেরিকায় চাইলে শান্তি স্থাপন করতে পারবে আর না চাইলে যুদ্ধ করতে পারবে। এখন আমেরিকাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা ঠিক কোন পথে হাঁটবে? তারা যদি এই এলাকায় শান্তি সুস্থিতি বজায় রাখতে চাই তাহলে সবাইকে নিয়ে চলতে হবে। এখানে শান্তির পক্ষে বিপজ্জনক হল ইসরাইল। অর্থাৎ আমেরিকা কে সিদ্ধান্ত নিতে হবে ইসরাইল কতটা গুরুত্বপূর্ণ কতটা গুরুত্বপূর্ণ হবে না ইসরাইলকে নিয়ন্ত্রণ করার সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে আমেরিকার। এবার আমেরিকাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে ইসরাইলকে তারা নিয়ন্ত্রণ করবে কি করবে না। আর তাতেই এই এলাকায় শান্তি বজায় থাকবে না হলে দীর্ঘ যুদ্ধ শুরু হবে। রীতিমত হুমকির সুরে আমেরিকাকে একথা জানিয়ে দিয়েছে ইরান। একইসঙ্গে,আমেরিকান বিনিয়োগকারীদের ইরানে বিনিয়োগে কোনো বাধা নেই — এমনটাই জানিয়েছেন দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান।
এক্স (সাবেক টুইটার)-এ দেওয়া এক পোস্টে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান লেখেন, সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে আলাপে তিনি বলেছেন, আমেরিকান বিনিয়োগকারীরা ইরানে আসতে পারেন এবং তাদের কার্যক্রম চালাতে কোনো বাধা নেই… দুর্ভাগ্যজনকভাবে, শান্তি স্থাপনে মূল বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ইসরাইল।
তিনি আরও জানান, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ গ্রহণে আগ্রহী, শুধুমাত্র নিষেধাজ্ঞাগুলো প্রত্যাহার করা প্রয়োজন।“আমেরিকান বিনিয়োগকারীদের জন্য ইরানে বিনিয়োগে কোনো সীমাবদ্ধতা নেই।”
তবে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান সতর্ক করে বলেন, আমেরিকার সামনে এখন দুটি পথ: শান্তি কিংবা যুদ্ধ।তার ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট মি. ট্রাম্প যথেষ্ট সক্ষম — তিনি চাইলে অঞ্চলকে শান্তির পথে এগিয়ে নিতে পারেন, একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা দিতে পারেন এবং ইসরাইলকে তার জায়গা বুঝিয়ে দিতে পারেন।
নতুবা তিনি এমন এক অন্তহীন যুদ্ধ-জালে পা দিতে পারেন, যেখানে নেতানিয়াহু চাইছেন আমেরিকা কিংবা তার প্রেসিডেন্ট জড়িয়ে পড়ুক।
এই বক্তব্য এমন সময়ে এসেছে, যখন মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে এবং ইরান-ইসরাইল সংঘাতের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে চলছে আন্তর্জাতিক মহলে জোর বিতর্ক।

